Yuva Sathi Scheme: 'যুবসাথী'র ফর্মে এই ৫টি ভুল একদমই করবেন না! তাহলেই কিন্তু আর ঢুকবে না টাকা! যে যে শব্দগুলি লিখতেই হবে, জেনে নিন
- Published by:Raima Chakraborty
- news18 bangla
Last Updated:
Yuva Sathi Scheme: ৫টি ছোট্ট ভুল করলেই আর ঢুকবে না টাকা! যুবসাথী প্রকল্প নিয়ে বড় আপডেট দিল নবান্ন। জেনে নিন...
advertisement
1/9

পশ্চিমবঙ্গে বেকার যুবকদের জন্য বড় প্রকল্প ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যের অন্তর্বর্তী বাজেটে বাংলার যুব সাথী স্কিম ২০২৬-এর ঘোষণা করেন। এই প্রকল্পের আওতায় যোগ্য প্রার্থীদের প্রতি মাসে ১,৫০০ টাকা ভাতা প্রদান করা হবে।
advertisement
2/9
গত ১৫-১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ থেকে রাজ্যের প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রে বিশেষ ক্যাম্পের মাধ্যমে এই প্রকল্পের আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, যা আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে। প্রথম দিনেই লক্ষাধিক আবেদন জমা পড়লেও, নিয়মাবলি না মানলে আবেদনপত্রটি সরাসরি বাতিল হতে পারে। তাই আবেদন করার সময় ৫টি বিশেষ ভুল এড়িয়ে চলা অত্যন্ত জরুরি।
advertisement
3/9
পেশার কলামে 'ছাত্র' লেখা: এই প্রকল্পের অন্যতম প্রধান শর্ত হল আবেদনকারীকে অবশ্যই বেকার হতে হবে। অনেক সময় ছাত্রছাত্রীরা ভুলবশত পেশার জায়গায় ‘Student’ বা ‘ছাত্র’ লিখে ফেলেন। মনে রাখবেন, এটি শুধুমাত্র বেকারদের জন্য প্রকল্প, তাই পেশার ঘরে অবশ্যই ‘Unemployed’ বা ‘বেকার’ লিখতে হবে। ছাত্র হিসেবে পরিচয় দিলে আবেদনপত্রটি প্রাথমিক পর্যায়েই বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
advertisement
4/9
নাম ও পদবি ব্যবহারে অসঙ্গতি: আবেদনপত্রের নাম এবং পদবি অবশ্যই মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড বা সার্টিফিকেটের তথ্যের সঙ্গে হুবহু মিল থাকতে হবে। বিবাহিত মহিলাদের ক্ষেত্রে বিশেষ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে, তারা যেন স্বামীর পদবি ব্যবহার না করে মাধ্যমিকের নথিতে থাকা নিজস্ব নাম ও পদবিই ব্যবহার করেন। তথ্যের অমিল থাকলে ভেরিফিকেশনে সমস্যা হতে পারে
advertisement
5/9
বয়স গণনার ভুল তারিখ: যুবসাথী প্রকল্পের আবেদনের জন্য বয়স হতে হবে ২১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে। বয়স হিসাব করার ক্ষেত্রে আবেদন করার দিনটিকে ধরলে হবে না। সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ১লা এপ্রিল তারিখের নিরিখে আবেদনকারীর বয়স গণনা করতে হবে। ফর্মে শুধুমাত্র পূর্ণ বছরটি লিখতে হবে।
advertisement
6/9
বর্তমান শিক্ষাগত যোগ্যতা উল্লেখ করা: আবেদনকারী বর্তমানে যে পড়াশোনা করছেন, সেটি ফর্মে উল্লেখ করা যাবে না। আপনার হাতে শেষ যে পরীক্ষার পাসের শংসাপত্র (Certificate) রয়েছে, সেটিকেই সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতা হিসেবে গণ্য করতে হবে। উদাহরণস্বরূপ, যদি কেউ কলেজের দ্বিতীয় বর্ষে পড়েন, তবে তাকে ‘উচ্চ মাধ্যমিক’ পাস হিসেবেই আবেদন করতে হবে।
advertisement
7/9
ছবি ও স্বাক্ষরে ত্রুটি: আবেদনপত্রে ছবি লাগানোর পর তার ওপর অবশ্যই আড়াআড়িভাবে সই (Cross Signature) করতে হবে। অর্থাৎ সইটি ছবির কিছু অংশ এবং ফর্মের সাদা অংশ জুড়ে থাকবে, সই ছাড়া ছবি থাকলে আবেদন বাতিল হতে পারে। এছাড়া প্রতিটি জমা দেওয়া নথির ফটোকপিতে ‘Self-attested’ বা স্ব-প্রত্যয়িত স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক।
advertisement
8/9
আবেদনপত্রে দেওয়া মোবাইল নম্বরটি অবশ্যই সচল থাকতে হবে এবং সেটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের সঙ্গে লিঙ্ক থাকা প্রয়োজন। এছাড়া আবেদনকারীর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টটি অবশ্যই আধার কার্ডের সঙ্গে যুক্ত (Aadhaar Seeded) এবং ডিবিটি (Direct Benefit Transfer) সক্রিয় থাকতে হবে, কারণ প্রকল্পের টাকা সরাসরি অ্যাকাউন্টে পাঠানো হবে।
advertisement
9/9
শেষে, ক্যাম্প থেকে ফর্ম জমা দেওয়ার পর প্রাপ্ত রিসিভ কপিতে ‘দুয়ারে সরকার রেজিস্ট্রেশন নম্বর’ লেখা আছে কিনা তা ভালো করে যাচাই করে নিন, যা ভবিষ্যতের স্ট্যাটাস চেক করতে সাহায্য করবে। আগ্রহী প্রার্থীরা চাইলে https://apas.wb.gov.in/ পোর্টালে গিয়ে অনলাইনেও আবেদন করতে পারেন। সামান্য সতর্কতা অবলম্বন করলেই এই সরকারি প্রকল্পের মাসিক ভাতা নিশ্চিত করা সম্ভব।