SSC Case: 'কীভাবে এমনটা করতে পারেন!' SSC মামলায় জোর সওয়াল কল্যাণের! পাল্টা আসরে বিকাশরঞ্জন! শেষমেশ কী বলল হাইকোর্ট?
- Reported by:ARNAB HAZRA
- news18 bangla
- Published by:Suman Biswas
Last Updated:
SSC Case: অ্যাডভোকেট জেনারেল বলেন, সুপ্রিম কোর্ট পুরনো নিয়োগ বাতিল করে নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করতে বলেছে। শীর্ষ আদালত কোথাও বলে দেয়নি ২০১৬ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়া নতুন করে করতে হবে।
advertisement
1/11

এসএসসি নিয়োগ বিধি চ্যালেঞ্জ মামলার শুনানি শেষে রায়দান স্থগিত রাখল কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি সৌমেন সেনের ডিভিশন বেঞ্চ। এই মামলায় রাজ্যের হয়ে সওয়াল করেন অ্যাডভোকেট জেনারেল (এজি) কিশোর দত্ত। এসএসসি-র হয়ে সওয়াল করেন আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।
advertisement
2/11
অ্যাডভোকেট জেনারেল বলেন, সুপ্রিম কোর্ট পুরনো নিয়োগ বাতিল করে নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করতে বলেছে। শীর্ষ আদালত কোথাও বলে দেয়নি ২০১৬ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়া নতুন করে করতে হবে। হাইকোর্ট এবং সুপ্রিম কোর্ট শুধু শূন্যপদ পূরণ করতে বলেছে।
advertisement
3/11
তাঁর সংযোজন, ২০১৬ সালের নিয়োগ বিধির পরে ২০১৯ সালের নিয়োগ বিধি তৈরি করা হয়েছিল। এখন ২০২৫ সালের নিয়োগ বিধি। কেউ এসএসসি-র নিয়োগ বিধিকে চ্যালেঞ্জ করতে পারে না। ২৬ হাজার চাকরি বাতিল ২০১৯ সালের নিয়োগ বিধির পরে এসেছিল। কিন্তু সেই বিধিকে কেউ চ্যালেঞ্জ করেনি।
advertisement
4/11
অ্যাডভোকেট জেনারেল আরও বলেন, প্রতিটি নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সম্ভাব্য শূন্য পদের পার্থক্য থাকে। কোনও পরীক্ষার্থী বলতে পারে না তার পরীক্ষায় প্রতিযোগী নির্দিষ্ট করতে হবে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে এসএসসি নতুন বিধি তৈরি করে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করেছে। যদি মামলাকারীদের মনে হয় সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ লঙ্ঘন করা হয়েছে, তারা সেখানে গিয়ে বলুন। যদি ভুল থাকে শীর্ষ আদালত তা বলে দেবে।
advertisement
5/11
ইতিমধ্যে এসএসসি-র বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা দায়ের হয়েছে শীর্ষ আদালতে। সেখানে প্রায় ১৮০টি রিভিউ পিটিশন করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে অ্যাডভোকেট জেনারেল বলেন, চাকরিতে অভিজ্ঞতাকে প্রাধান্য দেওয়া হয়। এ ক্ষেত্রেও শিক্ষকতার অভিজ্ঞতাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
advertisement
6/11
তাঁর কথায়, কোনও নিয়োগ প্রক্রিয়ায় প্রার্থীদের যোগ্যতামান কী হবে, তা নিয়োগদাতা নির্ধারণ করে। এসএসসি সিদ্ধান্ত নিতে পারে কোন কোন যোগ্যতা থাকা প্রার্থীদের আবেদন গ্রহণ করা হবে। যোগ্যতামান নিয়ে রায়ে সুপ্রিম কোর্ট কোনও নির্দেশ দেয়নি। এসএসসি নিজের ক্ষমতাবলে প্রার্থীদের যোগ্যতামান নির্ধারণ করেছে।
advertisement
7/11
এসএসসির হয়ে সওয়াল করেন আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ''কী ভাবে কমিশনের আইনকে চ্যালেঞ্জ করা যায়? হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করতে বলেছে। কিন্তু কোন বিধি মেনে হবে, তা উল্লেখ করেনি। শুধু বলেছে ঘোষিত শূন্যপদে নিয়োগ করতে হবে। এটা ২০১৯ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়াও হতে পারে। আবার নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়াও হতে পারে। ফলে কোথাও বলে দেওয়া নেই ২০১৬ সালের বিধি মেনেই নিয়োগ করতে হবে।
advertisement
8/11
কল্যাণের সংযোজন, গত ৯ বছর ধরে নতুনরা সুযোগ পাননি। আপনার যদি যোগ্যতা থাকে, কেন মামলা করছেন? নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশ নিন। উত্তীর্ণ হয়ে চাকরি করুন। এখন এটা চাই, ওটা চাই বলছেন। ২০১৬ সালের বিধি মেনে বয়সে ছাড় দেওয়া সম্ভব ছিল না। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মান্যতা দিয়ে ওই বিধি সংশোধন করতে হত। বয়সে ছাড় দিয়ে হলে ২০১৬ সালের বিধি সংশোধন অথবা নতুন বিধি তৈরির প্রয়োজনীয়তা ছিল। আবার আদালত যদি নতুন বিধি খারিজ করে দেয়, তবে ২০১৬ সালের বিধিতে আদালত হস্তক্ষেপ করতে পারে না।
advertisement
9/11
তিনি আরও বলেন, একটি নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সবচেয়ে ভাল প্রার্থীকেই বাছাই করাই লক্ষ্য হয়ে থাকে। ভাল প্রার্থী কারা, বাছাই করার অধিকার এসএসসি-র রয়েছে। কেউ ৪০ শতাংশ, আর কেউ ৭০ শতাংশ নম্বর পেয়েছেন। ৭০ শতাংশ যিনি পেয়েছেন, সেই প্রার্থীকে সুযোগ দেওয়া উচিত।
advertisement
10/11
এদিকে, বঞ্চিত চাকরিপ্রার্থীদের আইনজীবী অনিন্দ্য মিত্র এবং বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য বলেন, বিধি সংশোধন করবেন কিনা, সেটা এসএসসি-র বিষয়। তাদের ভুলে এমন পরিস্থিতি হয়েছে। এখন ইচ্ছাকৃত ভাবে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ লঙ্ঘন করছে এসএসসি। সুপ্রিম কোর্ট নিয়োগ বাতিল করেছে। কোনও প্যানেল বাতিল করেনি। সুপ্রিম কোর্ট কোথাও বলে দেয়নি নতুন নিয়োগ শুরু হলে যোগ্যতামান বদল করতে পারবে এসএসসি।''
advertisement
11/11
আইনজীবী বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য বলেন, দুর্নীতির কারণে আগের নিয়োগ বাতিল হয়েছে। সেখানে ঘোষিত শূন্যপদে নতুন করে নিয়োগ করতে হবে বলে রায় দিয়েছে শীর্ষ আদালত। ২০১৯ সালের বিধি মেনে নিয়োগ হয়নি। তাই সেই বিধিকে চ্যালেঞ্জ করা হয়নি। আদালতও সেই নিয়ে কোনও নির্দেশ দেয়নি।