Dilip Ghosh News: বিজেপি ছাড়ছেন দিলীপ ঘোষ? কড়া ব্যবস্থা নেবে নেতৃত্ব? সুকান্ত মজুমদার যা বললেন, শুনে চমকে উঠবেন! তুমুল জল্পনা
- Reported by:Debashish Chakraborty
- news18 bangla
- Published by:Suman Biswas
Last Updated:
Dilip Ghosh News: বৃহস্পতিবার সায়েন্স সিটিতে শমীক ভট্টাচার্যের রাজ্য সভাপতি নির্বাচন ও অভিনন্দন সমারোহ অনুষ্ঠান হয়। সেখানে দলের বড়, মাঝারি সব নেতা উপস্থিত থাকলেও ছিলেন না দলের প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।
advertisement
1/8

কলকাতা: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে শমীক ভট্টাচার্যের উপরেই ভরসা রেখেছেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব৷ তাঁর নিপাট বাঙালি ভদ্রলোক ইমেজ, যে কোনও রাজনৈতিক বিষয়ে পরিমিত এবং উপযুক্ত বক্তব্য রাখার ক্ষমতা, সর্বোপরি দলের প্রতি আনুগত্য৷ এহেন নানান কারণে শমীক ভট্টাচার্যকেই পরবর্তী রাজ্য সভাপতি হিসাবে নির্বাচন করেছেন নেতৃত্ব৷
advertisement
2/8
বৃহস্পতিবার সায়েন্স সিটিতে শমীক ভট্টাচার্যের রাজ্য সভাপতি নির্বাচন ও অভিনন্দন সমারোহ অনুষ্ঠান হয়। সেখানে দলের বড়, মাঝারি সব নেতা উপস্থিত থাকলেও ছিলেন না দলের প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। বলাবাহুল্য, দিলীপ ঘোষকে আমন্ত্রণই জানানো হয়নি এই অনুষ্ঠানে। এই পরিস্থিতিতে শুক্রবার মুখ খুললেন স্বয়ং দিলীপ ঘোষ।
advertisement
3/8
আপনি কি তৃণমূলে চলে যাবেন? এই প্রশ্নের উত্তরে দিলীপ সাফ জানান, ''আমার রাজনৈতিক ভবিষ্যত পার্টি ঠিক করবে। ভগবানের খাতায় লেখা আছে। আমাকে বিজেপি নিয়ে এসে একটা জায়গা দিয়েছিল। আমি নিজে থেকে আসিনি। পার্টি চেয়েছে তাই আমি এসেছি। পার্টি আমাকে রাজ্য সভাপতি করেছে, বিধায়ক করেছে, সাংসদ করেছে, জাতীয় নেতা করেছে। আমি নিজে থেকে কিছু চাইনি। পার্টি আমাকে গাড়ি দিয়েছে, সিকিউরিটি দিয়েছে। আমি নিজে এগুলোর কোনওটাই চাইনি। পার্টি যদি মনে করে আমি এখন সাধারণ কর্মী হিসেবে কাজ করব, তাহলে তাই করব। আমাকে ডাকলে আমি যাই। না ডাকলে যাই না।''
advertisement
4/8
দিলীপ যখন এমন কথা বলছেন, বিজেপির সদ্য প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারও হাঁটালেন সেই পার্টি লাইনেই। দিলীপ ঘোষের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে সুকান্ত শুক্রবার বলেন, ''দিলীপ ঘোষ আমাদের পার্টির নেতা, রাষ্ট্রীয় স্তরে তিনি নেতৃত্ব দিয়েছেন। তাঁর বিষয়ে যা সিদ্ধান্ত নেবেন, তা রাষ্ট্র নেতৃত্ব নেবেন।''বেলুড় মঠে রামকৃষ্ণ মিশন বিশ্ব বিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে এসে এমনই বললেন সুকান্ত মজুমদার।
advertisement
5/8
এদিকে, কোচবিহারের গুলি চালানোর ঘটনায় তিনি তৃণমূলের গোষ্ঠী দ্বন্দ্বকেই দায়ী করেছেন। সুকান্ত মজুমদারের দাবি, ''কোচবিহারে তৃণমূলের অত্যচারে বিজেপির কোনও ক্ষমতাই নেই গুলি চালানোর।''
advertisement
6/8
এদিকে, দিলীপ ঘোষকে এদিন প্রশ্ন করা হয়, দিলীপ ঘোষ মানেই তো চমক। আমরা কি আগামী কয়েক দিনের মধ্যে কোনও চমক দেখব? দিলীপ ঘোষের উত্তর, ''কল্পনা করতে তো পয়সা লাগে না। অনেকেই করছে। ২১ তারিখ পর্যন্ত কল্পনার ডেট দেওয়া হয়েছে। তারিখ পে তারিখ। কিছু একটা মার্কেটে থাকে। দিলীপ ঘোষ মার্কেটে আছে।''
advertisement
7/8
তৃণমূলের সঙ্গে তিক্ততা নেই তো আর? দিলীপ ঘোষের সাফ জবাব, ''আমার সঙ্গে কুণাল ঘোষ, অরূপ বিশ্বাসের অনেক আগে থেকে পরিচয়। এখনও আছে। আগামী দিনেও থাকবে। দিলীপ ঘোষ ওরকম ভাবে ভাবে না। কাল শত্রু ছিল আজ বন্ধু হল আবার পরেরদিন শত্রু হল, দিলীপ ঘোষ ওইভাবে ভাবে না। যারা ওরকম করে তাদের সমস্যা আছে। দিলীপ ঘোষের এরকম কোনও সমস্যা নেই।''
advertisement
8/8
দলীয় সাংগঠনিক কর্মসূচি থেকে আপাতত দূরেই আছেন দিলীপ ঘোষ। বিয়ের পরপর সস্ত্রীক দিঘায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সৌজন্যমূলক সাক্ষাৎ করেন তিনি। এতে বিজেপির অভ্যন্তরে প্রবল ক্ষোভ ছড়ায়। দিলীপ ঘোষও ক্ষোভের প্রত্যুত্তর দেন। তারপর থেকে ক্রমে সাংগঠনিক কর্মসূচি থেকে দূরে আছেন তিনি। বাদ রইলেন নতুন রাজ্য সভাপতির স্বাগত অনুষ্ঠানেও। ফলে জল্পনা আরও তীব্রতর হল।