C V Ananda Bose Letter: 'মাই ব্রাদার্স অ্যান্ড সিস্টার্স অফ বেঙ্গল...' বাংলার মানুষকে 'খোলা চিঠি' সিভি আনন্দ বোসের, বলে ফেললেন মনের সব কথা!
- Reported by:SOMRAJ BANDOPADHYAY
- news18 bangla
- Published by:Sanjukta Sarkar
Last Updated:
C V Ananda Bose Letter: বাংলার ভাই-বোনদের প্রতি তাঁর খোলা চিঠিতে মহাত্মা গান্ধি ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উদ্ধৃতি উল্লেখ করেন সিভি আনন্দ বোস বলে দিলেন মনের কথা। কী কী লিখেলন তিনি?
advertisement
1/7

মঙ্গলবার রাতেই কথা হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে। এবার বাংলা ছাড়ার আগে বাংলার মানুষের উদ্দেশে খোলা চিঠি লিখলেন প্রাক্তন রাজ্যপাল ড. সিভি আনন্দ বোস। গত তিন বছরে বাংলার মানুষের কাছ থেকে পাওয়া ভালবাসা ও সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন তিনি তাঁর খোলা চিঠিতে।
advertisement
2/7
একইসঙ্গে তিনি বাংলার মানুষকে তাঁর খোলা চিঠিতে জানিয়েছেন রাজভবনের দায়িত্ব শেষ হলেও পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক শেষ নয়। চিঠিতে তিনি লেখেন, "বাংলা আমার দ্বিতীয় বাড়ি, ভবিষ্যতেও এই রাজ্যের সঙ্গে যুক্ত থাকব”।
advertisement
3/7
খোলা চিঠিতে মহাত্মা গান্ধি ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উদ্ধৃতি উল্লেখ করেন সিভি আনন্দ বোস গত তিন বছরে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে মানুষের সঙ্গে দেখা ও কথা বলার অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন।
advertisement
4/7
প্রাক্তন রাজ্যপাল বাঙালির আবেগের কথা মনে রেখেই তাঁর চিঠিতে তাঁর প্রার্থনার কথাও জানিয়েছেন। "মা দুর্গা যেন বাংলার মানুষকে রক্ষা করেন।"
advertisement
5/7
প্রসঙ্গত, প্রাক্তন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের সঙ্গে গতকালই দেখা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ মঙ্গলবার ধর্না প্রত্যাহারের পরই ধর্মতলা থেকে সরাসরি সিভি আনন্দ বোসের সঙ্গে দেখা করতে যান মুখ্যমন্ত্রী৷ তিনি যে রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছেন তা আগে জানিয়েও দেন মুখ্যমন্ত্রী৷
advertisement
6/7
দিল্লিতে গিয়ে ইস্তফা দেওয়ার পর কলকাতায় ফিরে আর রাজভবন-মুখো হননি সিভি আনন্দ বোস৷ আলিপুরে রাজ্য সরকারের অতিথিশালায় রয়েছেন তিনি৷ মুখ্যমন্ত্রী অবশ্য দাবি করেছেন, প্রাক্তন রাজ্যপাল নিজে হোটেলে থাকতে চেয়েছিলেন৷ কিন্তু তিনিই তাঁকে রাজ্য সরকারের অতিথিশালায় থাকার জন্য অনুরোধ করেন৷
advertisement
7/7
প্রাক্তন রাজ্যপালের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বেরনোর পর তাঁকে সরিয়ে দেওয়ার বিরুদ্ধে ফের সরব হন মুখ্যমন্ত্রী৷ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বাংলার শিষ্টাচার মেনে দেখা করতে এসেছি৷ ওঁর সঙ্গে অবিচার হয়েছে৷ পাঁচ বছরের মেয়াদ ছিল৷ দেড় বছর আগেই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে নির্বাচনের আগে ওঁকে সরিয়ে দেওয়া হল৷ ওঁকে আমার মনের কথা আমি বলে এসেছি৷ ওঁর সেদিন বাগডোগরা যাওয়ার কথা ছিল৷ তার আগে দিল্লিতে ডেকে নেওয়া হল৷ উনি আগামিকাল চলে যাচ্ছেন। ওনার সঙ্গে অনেক দিন কাজ করেছি। আমার সঙ্গে সম্পর্ক ভাল। ওনার পরিবারের সঙ্গেও সম্পর্ক ভাল।"