আজ থেকেই খেত মজুরদের অ্যাকাউন্টে কড়কড়ে ৪০০০ টাকা ঢোকা শুরু...! কী ভাবে আবেদন এই সরকারি প্রকল্পে? কী কী নথি লাগছে? জানুন!
- Published by:Sanjukta Sarkar
- news18 bangla
Last Updated:
Bhumihin Krishak Bandhu Scheme: বিরাট সুখবর! পয়লা এপ্রিল নয়, ভূমিহীন খেত মজুরদের ৪০০০ টাকা আজ থেকেই ঢুকছে, আপনিও আবেদন করতে চান? কী কী নথি লাগবে? জানুন সব খুঁটিনাটি!
advertisement
1/13

শুধু বেকার যুবক-যুবতীদের জন্য যুবসাথীই নয়, বাংলার কৃষকদের জন্যও নতুন জনদরদী সরকারি প্রকল্প এনেছেন মুখ্যমন্ত্রী সর্বশেষ অন্তর্বর্তী বাজেটে। আর তাতেই কার্যত খুশির হাওয়া গ্রাম বাংলার কৃষকদের ঘরে ঘরে।
advertisement
2/13
এবার সেইসব সারাদিন অন্যের জমিতে কাজ করে সংসার চালানো খেত মজুরদের জন্যও বড় পদক্ষেপ নিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। আনা হয়েছে 'ভূমিহীন খেত মজদুর প্রকল্প'।
advertisement
3/13
রাজ্য সরকারের এই প্রকল্পের আওতায় বছরে ৪,০০০ টাকা করে আর্থিক অনুদান দেওয়া হবে ভূমিহীন খেত মজুরদের। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আজই জানিয়ে দিয়েছেন এপ্রিল পর্যন্ত অপেক্ষা নয়, আজ থেকেই সুবিধাভোগীদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ঢুকবে যুবসাথীর মতো ভূমিহীন খেত মজুরদের টাকাও।
advertisement
4/13
অনেকেই তাই এই প্রকল্প নিয়ে উৎসুক। কিন্তু নতুন এই সরকারি প্রকল্পে কীভাবে আবেদন করবেন, কারা পাবেন, আর কী কী শর্ত মানতে হবে তা নিয়ে রয়েছে নানা বিভ্রান্তি। চলুন আজ এই প্রতিবেদনে জেনে নেওয়া যাক বিস্তারিত।
advertisement
5/13
রাজ্যের কৃষকদের জন্য দীর্ঘদিন ধরেই ‘কৃষক বন্ধু’ প্রকল্প চালু রয়েছে। এবার সেই সুবিধার পরিধি বাড়িয়ে ভূমিহীন খেত মজুরদের জন্য আলাদা আর্থিক সহায়তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এই প্রকল্পের আওতায় যোগ্য উপভোক্তারা বছরে মোট ৪,০০০ টাকা পাবেন। তবে পুরো টাকা একসঙ্গে দেওয়া হবে না। বছরে দুইবার ২,০০০ টাকা করে সরাসরি উপভোক্তার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠানো হবে। অর্থাৎ ডিবিটি (Direct Benefit Transfer) পদ্ধতিতেই টাকা পৌঁছবে।
advertisement
6/13
Landless Labourer Scheme : কারা এই প্রকল্পে আবেদনের যোগ্য?সবাই এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন না। নির্দিষ্ট কিছু শর্ত পূরণ করলেই আবেদন করা যাবে।১) আবেদনকারীকে অবশ্যই একজন ভূমিহীন খেত মজুর হতে হবে, অর্থাৎ তিনি অন্যের জমিতে শ্রম দিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন এমন ব্যক্তি হতে হবে।২) আবেদনকারীর নিজস্ব কোনও কৃষি জমি থাকা চলবে না।
advertisement
7/13
৩)যাঁরা ইতিমধ্যে ‘কৃষক বন্ধু’ প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন, তাঁরা এই প্রকল্পে আবেদন করতে পারবেন না।৪) ভাগচাষী বা বর্গাদাররা এই প্রকল্পের আওতায় পড়বেন না। আবেদন ফর্মে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে যে আবেদনকারী বর্গাদার নন।
advertisement
8/13
আবেদনপত্র পূরণের নিয়ম:এই প্রকল্পের জন্য নির্ধারিত আবেদন ফর্মটি তিনটি আলাদা পাতায় বিভক্ত। প্রতিটি অংশ সঠিকভাবে পূরণ করা অত্যন্ত জরুরি।
advertisement
9/13
প্রথম পাতা: ব্যক্তিগত ও ব্যাঙ্ক তথ্যফর্মের এই অংশটি ইংরেজিতে বড় হাতের অক্ষরে পূরণ করতে হবে। এখানে আবেদনকারীর নাম, পূর্ণ ঠিকানা (গ্রাম, পঞ্চায়েত, ব্লক, জেলা ও পিন কোড) এবং বাবার বা স্বামীর নাম লিখতে হবে। এরপর জন্মতারিখ উল্লেখ করে ০১/০১/২০২৬ অনুযায়ী নিজের বয়স হিসাব করে লিখতে হবে।
advertisement
10/13
লিঙ্গ ও জাতি (SC/ST/OBC/General) নির্দিষ্ট ঘরে টিক চিহ্ন দিতে হবে। তারপর ব্যাঙ্ক সংক্রান্ত তথ্য পাসবই দেখে সঠিকভাবে লিখতে হবে। অর্থাৎ, ব্যাঙ্কের নাম, অ্যাকাউন্ট নম্বর, আইএফএসসি (IFSC) কোড।নমিনির নাম, সম্পর্ক ও বয়স উল্লেখ করতে হবে। নমিনি নাবালক হলে অভিভাবকের নাম দিতে হবে। সবশেষে আবেদনকারীকে নিজের সই বা টিপসই দিতে হবে এবং রিসিট কপি বুঝে নিতে হবে।
advertisement
11/13
দ্বিতীয় পাতা: স্বঘোষণা (Self Declaration)এই অংশটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এখানে আবেদনকারীকে ঘোষণা করতে হবে যে তাঁর কোনও চাষযোগ্য জমি নেই এবং তিনি বর্গাদার নন। এছাড়া অন্য কোনও সরকারি ভাতা, যেমন লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পাচ্ছেন কি না, তাও জানাতে হবে। ভুল তথ্য দিলে প্রাপ্ত অর্থ ফেরত দিতে হবে, এই শর্তে সম্মতি জানিয়ে সই করতে হবে।
advertisement
12/13
প্রয়োজনীয় নথি:আবেদনপত্রের সঙ্গে নিজস্ব সই করা (Self-attested) জেরক্স জমা দিতে হবে।১. আধার কার্ড২. ভোটার কার্ড৩. ব্যাঙ্ক পাসবুকের প্রথম পাতা (যেখানে ছবি ও অ্যাকাউন্ট নম্বর স্পষ্ট দেখা যায়)যদি পাসবইয়ে ছবি না থাকে, তাহলে জেরক্সের উপর নিজের পাসপোর্ট সাইজ ছবি রেখে আবার জেরক্স করতে হবে।
advertisement
13/13
উল্লেখ্য, রাজ্য সরকারি এই প্রকল্পের ফর্ম সাধারণত দুয়ারে সরকার ক্যাম্প বা বিডিও অফিস থেকে নির্দিষ্ট রেজিস্ট্রেশন নম্বর বা স্ট্যাম্প-সহ দেওয়া হয়। তাই বাইরে খোলা বাজার থেকে ফর্ম কিনে জমা না দেওয়াই ভাল। সরকারি সূত্রে দেওয়া নির্ধারিত ফর্মই ব্যবহার করতে হবে। তাই প্রকল্পের সুবিধা পেতে চাইলে আজই আবেদন করুন। কিন্তু অনুসরণ করুন সঠিক উপায়।