TRENDING:

'আমাদের যা কিছু সবই মা কালীর জন্য হয়েছে,' বলতেন কালীভক্ত সোমেন

Last Updated:
আমহার্স্ট স্ট্রিটের কালীপুজো মানেই আমজনতার কাছে ছোড়দার কালীপুজো। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় এই কালীপুজোর সূচনা হলেও, সেই ছয়ের দশক থেকেই এই পুজোর কর্ণধার ছিলেন সোমেন্দ্রনাথ মিত্র।
advertisement
1/5
'আমাদের যা কিছু সবই মা কালীর জন্য হয়েছে,' বলতেন কালীভক্ত সোমেন
রাজ্য কংগ্রেসের বর্ষীয়ান নেতাদের তালিকায় প্রথম সারিতেই থাকবে সোমেন মিত্রের নাম৷ শুধু কংগ্রেস নয়, রাজনীতির 'ছোড়দা' ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা পেয়েছেন অন্য দলের নেতা-নেত্রীদেরও৷ বুধবার রাত ১টা ৫০ মিনিট নাগাদ তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন৷
advertisement
2/5
সকালে ৯টা নাগাদ দক্ষিণ কলকাতার নার্সিংহোম থেকে তাঁর দেহ নিয়ে যাওয়া হচ্ছে প্রদেশ কংগ্রেস কার্যালয়ে৷ সেখানে ১২টা পর্যন্ত রাখা হবে৷ শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করবেন কংগ্রেস নেতা, কর্মীরা৷ তারপর ১২টায় দেহ নিয়ে যাওয়া হবে বিধানসভা ভবনে৷ সেখানে শ্রদ্ধাজ্ঞাপনের পরে সোমেন মিত্রের দেহ নিয়ে যাওয়া হবে তাঁর বাড়ি ৩ নম্বর লোয়ার রডন স্ট্রিটে৷ সেখান থেকে নিয়ে যাওয়া হবে আদিবাড়ি ৪৫ নম্বর আর্মহাস্ট স্ট্রিটে৷ বিকেলে নিমতলা মহাশ্মশানে সোমেন মিত্রের শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে৷
advertisement
3/5
আমহার্স্ট স্ট্রিটের কালীপুজো মানেই আমজনতার কাছে ছোড়দার কালীপুজো। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় এই কালীপুজোর সূচনা হলেও, সেই ছয়ের দশক থেকেই এই পুজোর কর্ণধার সোমেন্দ্রনাথ মিত্র। এবছর কালীপুজোয় আর পাওয়া যাবে না সোমেন মিত্রকে৷ তিনি বলতেন, 'আমরা বিশ্বাস করি আমাদের যে রাজনৈতিক জীবন তৈরি হয়েছে তা মা কালীর আরাধনার জন্যেই হয়েছে। আমাদের জীবনে মা কালীর প্রভাব অপরিসীম।'
advertisement
4/5
সোমেন মিত্র শিয়ালদহ আসন থেকে একাধিকবার বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছিলেন। ১৯৭২ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত শিয়ালদহ বিধানসভা কেন্দ্রে জিতেছিলেন সোমেন মিত্র৷ তারপর পরে কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেন ২০০৯ সালে৷ ২০০৭-০৮ সালে কংগ্রেস ছেড়ে প্রথমে প্রগতিশীল ইন্দিরা কংগ্রেস গঠন করেছিলেন তিনি। তৃণমূল কংগ্রেসের টিকিটে ২০০৯ সালে সোমেন মিত্র ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্র থেকে জিতে সাংসদও হন। পরে আবার ফিরে আসেন কংগ্রেসে। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি হন। কংগ্রেসের নেতা কর্মীদের প্রিয় ছোড়দার আকস্মিক প্রয়াণে রাজ্য রাজনীতিতে শোকের ছায়া।
advertisement
5/5
প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্রের আকস্মিক প্রয়াণে ট্যুইট করে শোকবার্তা জানালেন রাহুল গাঁধী। ট্যুইটে তিনি লিখেছেন, কঠিন এই সময়ে সোমেন মিত্রের পরিবার ও বন্ধুদের ভালবাসা ও সমবেদনা জানাই। তাঁকে শ্রদ্ধা ও ভালবাসার সঙ্গে স্মরণ করব। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্রের মৃত্যুতে ট্যুইটে শোকবার্তা জানিয়েছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। তিনি ট্যুইটে লেখেন, কংগ্রেসের প্রবীণ নেতা সোমেন মিত্রের প্রয়াণে শোকাহত। সাংবিধানিক প্রধান হিসেবে বিভিন্ন সময়ে তাঁর পরামর্শে তিনি যে উপকৃত হয়েছেন, তার উল্লেখ করেছেন রাজ্যপাল। সেইসঙ্গেই তিনি লিখেছেন, বাংলা তাঁর অবদানকে চিরদিন মনে রাখবে।
বাংলা খবর/ছবি/কলকাতা/
'আমাদের যা কিছু সবই মা কালীর জন্য হয়েছে,' বলতেন কালীভক্ত সোমেন
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল