Iran's possible Next Leader: খামেনেইয়ের মৃত্যু, ইরানে এবার ক্ষমতায় আমেরিকার প্রিয়পাত্র? কে এই রেজা পহেলভি? পরিচয়েই বিরাট চমক
- Published by:Ankita Tripathi
- news18 bangla
Last Updated:
Who is Reza Pahlavi: ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইর মৃত্যুর পর কে হবেন ইরানের শীর্ষ নেতা? যাঁর নাম সবচেয়ে বেশি ঘুরেফিরে আসছে, তিনি রেজা পহেলভি৷ আমেরিকার ‘প্রিয়পাত্র’, কে এই রেজা পহেলভি?
advertisement
1/8

আমেরিকা-ইজরায়েলের যৌথ হামলায় নিহত হয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই৷ তাঁর মৃত্যুর পরেই বিশ্বের রাজনৈতিক মহলে একটাই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে৷ খামেইনির পর কে বসবেন ইরানের মসনদে? কে হবেন দেশের প্রধান শাসক? যাঁর নাম সবচেয়ে বেশি ঘুরেফিরে আসছে, তিনি রেজা পহেলভি৷ ইরানের প্রাক্তন সম্রাট মোহাম্মদ রেজা পহেলভির জ্যেষ্ঠ পুত্র এবং সে দেশের নির্বাসিত শাসক৷
advertisement
2/8
রেজা পহেলভির প্রত্যাবর্তনের ইঙ্গিত নিয়ে সবুজ সংকেত দেখছেন বহু বিশ্ব রাজনীতিবিদ৷ খামেইনির মৃত্যুর পরপরই তিনি এক্স হ্যান্ডেলে একটি দীর্ঘ পোস্ট করেন৷ পোস্টে উল্ল্যেখ্য এই মুহূর্তকে ইসলামি প্রজাতন্ত্রের সমাপ্তির সূচনা বলে অভিহিত করে ইরানিদের একটি নির্ণায়ক গণঅভ্যুত্থানের জন্য প্রস্তুত হতে আহ্বান জানান৷
advertisement
3/8
এক্স-এ (X) পোস্ট করা দীর্ঘ বার্তায় পহেলভি খামেইনিকে “আমাদের সময়ের রক্তপিপাসু স্বৈরশাসক” এবং “ইরানের হাজার হাজার সাহসী পুত্র ও কন্যার হত্যাকারী” বলে উল্লেখ করেন। তিনি লেখেন, তাঁর মৃত্যুর মাধ্যমে “ইসলামি প্রজাতন্ত্র কার্যত তার সমাপ্তিতে পৌঁছেছে এবং খুব শিগগিরই ইতিহাসের আবর্জনার স্তূপে নিক্ষিপ্ত হবে।”
advertisement
4/8
পহেলভির এই বিবৃতি আসে অল্প সময় পর, যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক মাধ্যমে ঘোষণা করেন যে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের বড় যৌথ হামলায় সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনি নিহত হয়েছেন। তেহরান থেকে তাঁর অবস্থান সম্পর্কে তাৎক্ষণিক কোনও নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি। ট্রাম্প এই ঘটনাকে বর্ণনা করেন “ইরানি জনগণের জন্য তাদের দেশ পুনরুদ্ধারের একক বৃহত্তম সুযোগ” হিসেবে, যা ইরানের সামরিক ও সরকারি স্থাপনায় বিমান হামলার পর এসেছে। Photo AP
advertisement
5/8
কে রেজা পহেলভি?রেজা পহেলভি একজন ইরানি রাজনৈতিক কর্মী এবং ইরানের প্রাক্তন সম্রাট মোহাম্মদ রেজা পাহলভি-র জ্যেষ্ঠ পুত্র। ১৯৬০ সালে তেহরানে জন্ম নেওয়া রেজা পাহলভি ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের আগে ইরানের ‘ক্রাউন প্রিন্স’ ছিলেন। বিপ্লবের পর তাঁর পরিবার ইরান ছেড়ে মূলত যুক্তরাষ্ট্রে নির্বাসিত জীবনযাপন শুরু করে। বর্তমান ইসলামি প্রজাতন্ত্রের কট্টর সমালোচক হিসেবে তিনি দীর্ঘদিন ধরে পরিচিত এবং ধর্মতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার বিরোধী ইরানিদের মধ্যে অন্যতম প্রভাবশালী মুখ।
advertisement
6/8
রেজা পাহলভি ইরানের পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা হতে পারেন কি না, এই প্রশ্নের উত্তর জটিল। কারণ ইরানের সংবিধান অনুযায়ী, সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচন করেন ‘অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস’ নামে ধর্মীয় নেতাদের একটি পরিষদ। ঐতিহাসিকভাবে এই পদে একজন সর্বোচ্চ ধর্মগুরুকেই নির্বাচিত করা হয়েছে। সংবিধানে কোনও রাজা বা নির্বাসিত রাজপুত্রের জন্য সরাসরি ভূমিকা নির্ধারিত নেই।
advertisement
7/8
খামেনির মৃত্যুর খবরের পর রেজা পাহলভি এক বিবৃতিতে দাবি করেন, ইসলামি প্রজাতন্ত্র কার্যত শেষ হয়ে গেছে এবং শাসকগোষ্ঠীর ভেতর থেকে কোনও উত্তরসূরি নিয়োগের চেষ্টা ব্যর্থ হবে। তিনি ইরানিদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে একটি স্থিতিশীল ও স্বাধীন ভবিষ্যতের দিকে শান্তিপূর্ণ রূপান্তরের ডাক দেন। তাঁর বক্তব্য, বর্তমান ব্যবস্থার অধীনে নির্বাচিত কোনও উত্তরসূরিরই জনগণের ব্যাপক সমর্থন ছাড়া বৈধতা Photo AP
advertisement
8/8
ইরানের আভ্যন্তরিন বিরোধী গোষ্ঠী ও প্রবাসী ইরানিদের একটি বড় অংশ পহেলভির সমর্থক৷ তিনি এমন এক ইরানের কল্পনা করেন, যেখানে জনগণ ভোটের মাধ্যমে নেতা নির্বাচন করবে, ধর্মীয় শাসন বা রাজতন্ত্রের মাধ্যমে নয়। অনেক প্রবাসী ইরানি ও দেশের ভেতরের কিছু বিক্ষোভকারী তাঁকে পরিবর্তনের প্রতীক হিসেবে দেখেন।