Kerosene Production: গ্যাস-তেলের সঙ্কটের মধ্যে বাড়ছে কেরোসিন তেলের চাহিদা, মধ্যপাচ্য-রাশিয়া-আমেরিকা নয়, কোথায় মেলে বেশি কেরোসিন? জানুন
- Published by:Pooja Basu
- news18 bangla
Last Updated:
চলমান তেল ও গ্যাস সঙ্কটের কারণে কেরোসিনের চাহিদা নতুন করে বেড়েছে। এলপিজির দাম বাড়া এবং এর সরবরাহে ওঠানামার ফলে, পরিবার ও ছোট ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো রান্না এবং আলো জ্বালানোর জন্য একটি নির্ভরযোগ্য ও সাশ্রয়ী বিকল্প হিসেবে পুনরায় কেরোসিনের দিকে ঝুঁকছে।
advertisement
1/6

Kerosene Production: মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা বিশ্বের জ্বালানি সঙ্কটকে আরও গভীর করছে। এরই মধ্যে, একটি পুরোনো জ্বালানি আবার ফিরে আসছে, যা হল কেরোসিন। একসময় অনেক শহুরে অর্থনীতিতে অপ্রচলিত বলে বিবেচিত হলেও, এলপিজির ক্রমবর্ধমান মূল্য এবং সরবরাহ সংক্রান্ত উদ্বেগের মধ্যে এই জ্বালানিটি এখন একটি কার্যকর বিকল্প হিসেবে আবির্ভূত হচ্ছে। চলুন জেনে নেওয়া যাক কোন দেশগুলো সবচেয়ে বেশি কেরোসিন উৎপাদন করে।
advertisement
2/6
চলমান তেল ও গ্যাস সংকটের কারণে কেরোসিনের চাহিদা নতুন করে বেড়েছে। এলপিজির দাম বাড়া এবং এর সরবরাহে ওঠানামার ফলে, পরিবার ও ছোট ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো রান্না এবং আলো জ্বালানোর জন্য একটি নির্ভরযোগ্য ও সাশ্রয়ী বিকল্প হিসেবে পুনরায় কেরোসিনের দিকে ঝুঁকছে।
advertisement
3/6
জ্বালানির ঘাটতি মেটাতে ভারত সরকার কেরোসিনের মজুত ও বিক্রয় সংক্রান্ত বিধি-নিষেধ শিথিল করেছে। এখন গ্রামীণ ও শহুরে উভয় এলাকার পেট্রোল পাম্পগুলোকে সীমিত পরিমাণে কেরোসিন মজুত ও বিক্রি করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এর ফলে, সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার সময়ে জনসাধারণের জন্য জ্বালানিটি আরও সহজে উপলব্ধ হবে।
advertisement
4/6
কেরোসিন উৎপাদনে জাপান শীর্ষস্থানে রয়েছে, যা বিশ্বের মোট উৎপাদনের ২২ শতাংশেরও বেশি সরবরাহ করে। দৈনিক আনুমানিক ৩ লক্ষ ব্যারেলেরও বেশি উৎপাদনের মাধ্যমে দেশটি বিশ্বের সরবরাহ বজায় রাখতে একটি প্রধান ভূমিকা পালন করে।
advertisement
5/6
পেট্রোল পাম্পগুলো এখন কেরোসিনের নতুন কেন্দ্র হয়ে উঠছে, যেখানে নির্দিষ্ট আউটলেটগুলোতে ৫,০০০ লিটার পর্যন্ত কেরোসিন মজুত করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এই পদক্ষেপ এর প্রসারকে আরও শক্তিশালী করেছে।
advertisement
6/6
ভারত শুধু তার পরিশোধন ক্ষমতা ব্যবহার করে অভ্যন্তরীণ চাহিদাই মেটাচ্ছে না, বরং রাশিয়া থেকে ছাড়মূল্যে অপরিশোধিত তেল কিনে ইউরোপের মতো অঞ্চলে পেট্রোলিয়াম পণ্যের রফতানি বাড়াচ্ছে।