US Iran Ceasefire Secret: সভ্যতা ধ্বংস করার হুমকি থেকে ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে যুদ্ধবিরতি, ভোল পাল্টে যাওয়ার নাটকের দুই নেপথ্য কলকাঠি নাড়ল কারা
- Published by:Debalina Datta
- news18 bangla
Last Updated:
US Iran Ceasefire Secret: কূটনৈতিক চাপ তীব্র হওয়ার পরপরই, ইসলামাবাদের মাধ্যমে পাঠানো প্রস্তাবের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে ট্রাম্প দুই সপ্তাহের জন্য সামরিক পদক্ষেপ স্থগিত রাখার ঘোষণা দেন।
advertisement
1/7

কলকাতা: সন্ধ্যায় ডোনাল্ড ট্রাম্পে সভ্যতার শেষদিন ঘোষণা করার পর রাতারাতি আমেরিকা ও ইরান যুদ্ধবিরতি৷ কিন্তু নেপথ্যে থেকে কে কলকাঠি নাড়ল? অবশেষে পর্দা উঠল পুরো প্রক্রিয়ার মধ্যে থেকে৷ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রকাশ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দিলেও, পর্দার আড়ালে ছিল তুমুল ও উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ কূটনৈতিক কার্যক্রম৷ এই পদক্ষেপের সূচনা করে পাকিস্তানের শীর্ষ নেতৃত্ব৷ অন্যদিকে শেষ মোক্ষম প্যাঁচটা দিল চিন৷ মঙ্গলবার ভারতীয় সময় গভীর রাতে একাধিক ফোনকলে ওঠা আলোচনাই মোক্ষম চাল হয়ে দাঁড়াল৷ আর সেই বুদ্ধিমত্তার চালে কথায় কথায় মিলল সমাধানসূত্র৷ এটিই যুযুধান দেশকে একটি বিরতির দিকে ঠেলে দিতে সাহায্য করে৷
advertisement
2/7
শীর্ষ কূটনৈতিক সূত্র মতে, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শহবাজ শরিফ, সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইশক দারের নেতৃত্বে পর্দার আড়ালের কয়েক ঘণ্টার নিবিড় আলোচনার পর এই বড় কাণ্ড বাস্তবায়িত হয়েছে৷
advertisement
3/7
“call blitz"- সোজা কথায় ‘বার্তার ঝড়’ বলা যেতে পারে, সেই কর্মসূচির আওতায় পাকিস্তানের প্রতিনিধিত্বে ট্রাম্প ও ঊর্ধ্বতন মার্কিন কর্মকর্তা, মার্কিন ভাইস-প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি এবং সৌদি আরব, তুরস্ক ও মিশরের কর্মকর্তাদের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিশ্বমানের ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে একের পর এক দ্রুত আলোচনা হয়েছে। এই আলোচনাগুলি, যা প্রায়শই বিভিন্ন টাইম জোন জুড়ে গভীর রাতে অনুষ্ঠিত হয়েছিল, তাঁর উদ্দেশ্য ছিল ইরান যুদ্ধে একটি অস্থায়ী বিরতির বিষয়ে ঐকমত্য পৌঁছতে সাহায্য করেছে৷
advertisement
4/7
কর্মকর্তাদের মতে, এই কূটনৈতিক প্রচেষ্টার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল পাকিস্তান-সমর্থিত দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির একটি প্রস্তাব, যা শেষ পর্যন্ত ওয়াশিংটন ও তেহরান উভয়ই মেনে নেয়।
advertisement
5/7
প্রস্তাবটিতে ১৫ দিনের জন্য সংঘাত বন্ধ রাখা, ১০ এপ্রিল ইসলামাবাদে সরাসরি আলোচনার পরিকল্পনা এবং এই বিরতির সময়কালে হরমুজ প্রণালী দিয়ে নিরাপদ যাতায়াতের অনুমতি দিতে ইরানের সম্মতি অন্তর্ভুক্ত ছিল। ইরানও পাকিস্তানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার জন্য একটি ১০-দফা রূপরেখা পেশ করেছে।
advertisement
6/7
পাকিস্তান এর আগেও ইরান ও আমেরিকা রুদ্র পর্বের শেষে শান্তি আনার পথে এগিয়েছিল৷ কিন্ত এদিনের যুদ্ধবিরতিতে শেষ মূহুর্তে যে মোক্ষম চালটা চালল তারা হল চিন৷ সূত্র মতে, চিনের শেষ মুহূর্তের হস্তক্ষেপ ছাড়া এই অগ্রগতি সম্ভব হতো না। যুদ্ধবিরতি ঘোষণার ঠিক আগের মুহূর্তে, একজন ঊর্ধ্বতন চিনা কর্মকর্তা সরাসরি ভ্যান্সের সঙ্গে যোগাযোগ করে পাকিস্তানের প্রস্তাবকে সমর্থন জানান এবং ওয়াশিংটনকে এই বিরতি মেনে নিতে অনুরোধ করেন বলে জানা গেছে। এই বাড়তি চাপ যেটুকু অবশিষ্ট ব্যবধান ঘোচাতে সাহায্য করেছে বলে মনে হচ্ছে।
advertisement
7/7
কূটনৈতিক চাপ তীব্র হওয়ার পরপরই, ইসলামাবাদের মাধ্যমে পাঠানো প্রস্তাবের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে ট্রাম্প দুই সপ্তাহের জন্য সামরিক পদক্ষেপ স্থগিত রাখার ঘোষণা দেন। ইরানি কর্মকর্তারাও তা মেনে নেওয়ার ইঙ্গিত দেন এবং আরাঘচি এই ব্যবস্থা মেনে চলতে তেহরানের ইচ্ছার কথা নিশ্চিত করেন।