Rajpal Yadav Case Update: 'রাজপালের স্ত্রী কেঁদে কেঁদে মেসেজ লিখে পাঠাত', ৯ কোটির ঋণ মামলায় অবশেষে মুখ খুললেন সেই ব্যবসায়ী! মারাত্মক অভিযোগ
- Published by:Raima Chakraborty
- news18 bangla
Last Updated:
Rajpal Yadav Case Update: ৯ কোটি টাকার চেক বাউন্স মামলায়, অন্তর্বর্তীকালীন জামিন পাওয়ার পর, মঙ্গলবার তিহার জেল থেকে মুক্তি পেলেন বলিউড অভিনেতা রাজপাল যাদব। দিল্লি হাইকোর্ট তাঁর জামিন মঞ্জুর করেছে এবং মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য হয়েছে ১৮ মার্চ।
advertisement
1/8

৯ কোটি টাকার চেক বাউন্স মামলায়, অন্তর্বর্তীকালীন জামিন পাওয়ার পর, মঙ্গলবার তিহার জেল থেকে মুক্তি পেলেন বলিউড অভিনেতা রাজপাল যাদব। দিল্লি হাইকোর্ট তাঁর জামিন মঞ্জুর করেছে এবং মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য হয়েছে আগামী ১৮ মার্চ।
advertisement
2/8
এই মামলার সূত্রপাত ২০১২ সালে নির্মিত রাজপাল যাদব পরিচালিত ছবি আতা পাতা লাপাতা-কে কেন্দ্র করে। অভিযোগ, ছবিটির প্রযোজনার জন্য ব্যবসায়ী মাধব গোপাল আগরওয়ালের সংস্থা মেসার্স মুরলী প্রজেক্টস প্রাইভেট লিমিটেডের কাছ থেকে ৫ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছিলেন অভিনেতা।
advertisement
3/8
পরবর্তীতে সেই অর্থ পরিশোধের জন্য ইস্যু করা চেক বাউন্স হওয়ায়, আইনি লড়াই শুরু হয়, যা পরে ৯ কোটির আর্থিক দাবিতে রূপ নেয়।
advertisement
4/8
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে মাধব গোপাল আগরওয়াল দাবি করেন, ''বিবাদের শুরুর দিকে আমি রাজপালের বাড়িতে গিয়েছিলাম। আমি তাঁর সামনে শিশুর মতো কেঁদেছিলাম। কারণ, আমি নিজেও ধার করে ওই টাকা দিয়েছিলাম।''
advertisement
5/8
তাঁর কথায়, তিনি অন্তত একটি নির্দিষ্ট তারিখ জানতে চেয়েছিলেন, কবে টাকা ফেরত পাবেন। আগরওয়াল আরও বলেন, ''এটি কোনও বিনিয়োগ ছিল না, সম্পূর্ণরূপে একটি ঋণ ছিল। লিখিত চুক্তি হয়েছিল- ছবি চলুক বা না চলুক, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পুরো টাকা ফেরত দিতে হবে।''
advertisement
6/8
তিনি জানান, সাংসদ মিথিলেশ কুমার কাথেরিয়ার মাধ্যমে, তাঁর সঙ্গে রাজপালের পরিচয় হয়। আগরওয়ালের দাবি, অভিনেতা তাঁকে জানিয়েছিলেন যে ছবিটি প্রায় সম্পূর্ণ, কিন্তু তৎক্ষণাৎ আর্থিক সহায়তা না পেলে ''সবকিছু নষ্ট হয়ে যাবে।'' পরে সময়সীমা পেরিয়ে গেলে নতুন করে তিনবার চুক্তি সংশোধন হয় এবং নতুন চেক ইস্যু করা হয়, যা শেষ পর্যন্ত বাউন্স করে।
advertisement
7/8
আগরওয়ালের আরও দাবি, প্রথমে তিনি রাজপাল যাদবকে ঋণ দিতে গররাজি ছিলেন। কিন্তু পরে রাজপালের স্ত্রী রাধা আবেগেপূর্ণ মেসেজ করে ঋণ চেয়ে সাহায্য চেয়েছিলেন। তারপরেই নাকি তিনি ঋণ দিতে রাজি হন।
advertisement
8/8
তবে আইনি বিষয় নিয়ে আপাতত প্রকাশ্যে মন্তব্য করতে নারাজ রাজপাল যাদব। পিটিআই-কে তিনি বলেন, ''সমস্ত বিষয় হাইকোর্টে বিচারাধীন। আদালতের সিদ্ধান্তকে আমি সম্পূর্ণ সম্মান করি। খুব শিগগিরই একটি সাংবাদিক সম্মেলন করে আমার দিকটি স্পষ্ট করব।'' ১৮ মার্চের শুনানিকে কেন্দ্র করে এখন নজর আদালতের দিকে। আইনি লড়াইয়ের চূড়ান্ত ফলাফল কী হয়, সেটাই এখন দেখার।