মঙ্গলবার খবর ছড়ায় কবি শ্রীজাত দুর্ঘটনায় গুরুতর জখম হয়েছেন। স্বাভাবিকভাবেই উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছিলেন অনুরাগীরা! কিন্তু কবি নিজেই জানালেন, তিনি কেমন আছেন! নিজের ফেসবুক হ্যান্ডেলে শ্রীজাত লেখেন, ”সকলকে জানাই, এখন সুস্থ আছি, বাড়িতেই আছি। পেশিতে চোট পেয়েছি, চিকিৎসা চলছে। কিছুদিনের বিশ্রামও তারই অন্তর্গত। আমাদের গাড়িটি গুরুতর ভাবে জখম হলেও, আমি বিপন্মুক্ত। গাড়ি চালাচ্ছিলেন যিনি, তিনিও নিরাপদ আছেন। কাল আমার এই দুর্ঘটনার খবর প্রকাশ্যে আসার পর থেকে অগণিত শুভাকাঙ্খী দূর্বাকে ও আমাকে নানাভাবে যোগাযোগ ক’রে আমার কুশল জানতে চেয়েছেন, আমরা যথাসম্ভব প্রত্যুত্তর করেছি। তবুও হয়তো কারও কারও কাছে ব্যক্তিগত ভাবে পৌঁছনো হয়নি, তাই এই লেখা। আর-কেউ যেন এ-সংবাদে উদ্বিগ্ন না হন, সেও এ-লেখার উদ্দেশ্য। আরেকটি ধোঁয়াশাও সৃষ্টি হয়েছে কোনও ভাবে, কাটানো দরকার। তা হলো এই যে, দূর্বা সেদিন আমার সঙ্গে গাড়িতে ছিল না।”
advertisement
শ্রীজাত আরও বলেন, ”দুটি কথা আলাদা ক’রে বলার। কাছের বন্ধুবান্ধব বা আত্মীয়-পরিজনদের শঙ্কা তো স্বাভাবিক ও অনুমেয়। তাঁরা ব্যতিরেকেও এত মানুষ খবর নিয়েছেন এবং শুভেচ্ছা জানিয়েছেন যে, আমরা দুঃসময়ে অনেকখানি মনোবল পেয়েছি। প্রত্যেককে আমাদের ভালবাসা জানাই।”
শ্রীজাত বিশেষভাবে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তাঁর ভাষায়, ”ব্যস্ততার মধ্যেও মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী বারেবারে আমার পরিস্থিতির খোঁজ করেছেন, তাঁর এই আন্তরিকতা ভোলবার নয়। তাঁর প্রতি আমাদের কৃতজ্ঞতা।”
সবশেষে শ্রীজাত জানান, চিকিৎসকের নির্দেশে এখন কয়েকদিন তাঁকে গৃহবন্দি থাকতে হবে। কাজেই, যে-সমস্ত অনুষ্ঠানে তাঁর উপস্থিত থাকার কথা ছিল, সেসব আয়োজনে পৌঁছতে তিনি নেহাতই অপারগ। উদ্যোক্তাদের কাছে সে-বাবদ আগাম মার্জনাও চেয়ে রাখেন।
