স্ত্রী-র অক্লান্ত পরিশ্রমের জন্যই লড়াইয়ের দিনগুলিতে আন্ধেরি স্টেশনে ঘুমোতে হয়নি; বললেন বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা!
- Published by:Siddhartha Sarkar
- news18 bangla
Last Updated:
Pankaj Tripathi Wife Mridula Tripathi Unlike SDM Jyoti Maurya: জ্যোতি মৌর্যের মতো নয়, বরং চাকরির জোরে দাঁড়িয়েছেন স্বামীর পাশে। টেনেছেন সংসার এবং স্বামীর খরচ। দায়িত্ব নিয়েছেন সন্তানেরও। আর সেই স্বামীই আজ বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় এবং বলিষ্ঠ অভিনেতা। কথা হচ্ছে, পঙ্কজ ত্রিপাঠীর স্ত্রী মৃদুলা ত্রিপাঠীর।
advertisement
1/7

এসডিএম জ্যোতি মৌর্যের কথা তো আজ সংবাদমাধ্যমের দৌলতে সারা দেশই জেনে গিয়েছে! তাঁর স্বামী অলোক মৌর্যের অভিযোগ ছিল যে, সরকারি আধিকারিক হয়েই স্বামীকে ভুলে অন্যের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছেন জ্যোতি। এই নিয়ে রীতিমতো কয়েক মাস ধরে তোলপাড় গোটা দেশ। তবে আজ আর এক এসডিএম-এর গল্প শোনা যাক।
advertisement
2/7
যিনি জ্যোতি মৌর্যের মতো নয়, বরং চাকরির জোরে দাঁড়িয়েছেন স্বামীর পাশে। টেনেছেন সংসার এবং স্বামীর খরচ। দায়িত্ব নিয়েছেন সন্তানেরও। আর সেই স্বামীই আজ বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় এবং বলিষ্ঠ অভিনেতা। কথা হচ্ছে, পঙ্কজ ত্রিপাঠীর স্ত্রী মৃদুলা ত্রিপাঠীর।
advertisement
3/7
কথায় আছে, প্রত্যেক পুরুষের সাফল্যের পিছনে থাকে একজন মহিলার অবদান। এই প্রবাদই যেন প্রমাণ করে দিয়েছেন মৃদুলা। এভাবেই একটা সফল সম্পর্কের দৃষ্টান্ত গড়েছেন পঙ্কজ। আসলে বলিউডে জমি তৈরি করার পঙ্কজের জন্য ততটাও সহজ ছিল না। রীতিমতো মাথার ঘাম পায়ে ফেলে রীতিমতো মাটি কামড়ে চালিয়ে গিয়েছেন সেই লড়াই। আর সেই লড়াইয়ে সম্পূর্ণ রূপে পাশে পেয়েছিলেন নিজের সহধর্মিণীকেই। এই কথা স্বীকার করেছেন খোদ অভিনেতাই।
advertisement
4/7
‘কৌন বনেগা ক্রোড়পতি ১৩’-র মঞ্চে সুপারস্টার অমিতাভ বচ্চনের সামনে বলেছিলেন যে, “২০০৪ সালে আমি মুম্বই এসেছিলাম। আর ‘গ্যাংস অফ ওয়াসেপুর’ মুক্তি পেয়েছিল ২০১২ সালে। এদিকে ওই আট বছরে আমি কী করছিলাম, কেউ জানেন না!”
advertisement
5/7
আসলে ২০০৪ সালে মুম্বইয়ে পা রেখে বলিউডে ডেবিউ করেছিলেন ‘রান’ ছবির হাত ধরে। তা-ও অত্যন্ত ছোট ভূমিকায়। তাই সেভাবে চোখে পড়েনি। এর পরেও অবশ্য অনেক তাবড় ছবিতে ছোটখাটো চরিত্রে অভিনয় করছিলেন। কিন্তু ২০১২ সালের ‘গ্যাংস অফ ওয়াসেপুর’ ছবিতেই পঙ্কজ প্রথমবারের মতো গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেন। সেখানে তাঁর অভিনয় বিশেষ ভাবে প্রশংসিত হওয়ায় আর পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি তাঁকে। রাতারাতি বলিউডে জমি পাকা করেন নেন পঙ্কজ।
advertisement
6/7
দীর্ঘ আট বছরের স্ট্রাগলের কথা জানিয়ে পঙ্কজ বলেন, “ওই সময় বুঝতেই পারিনি যে, কঠিন সময় অতিক্রম করছি। কারণ আমার স্ত্রী সন্তানকে পড়াতেন। তিনি শিক্ষিকা ছিলেন। আর আমাদের চাহিদাও ছিল খুবই স্বল্প। আমরা ছোট বাড়িতে থাকতাম। এই কারণেই সহজে চালিয়ে নিতে পারতাম।” এমনকী স্ত্রী-র প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে অভিনেতা আরও বলেন যে, “মৃদুলার জন্যই ওই কঠিন লড়াইয়ের দিনগুলিতে আমায় আন্ধেরি স্টেশনে ঘুমোতে হয়নি।”
advertisement
7/7
প্রসঙ্গত ৪৬ বছর বয়সী অভিনেতা পঙ্কজ ত্রিপাঠী বেড়ে উঠেছেন বিহারের এক প্রত্যন্ত গ্রামে। এক সময় বাড়িতে টিভি পর্যন্ত ছিল না। অথচ আজ তিনি বলিউডের অন্যতম বলিষ্ঠ অভিনেতা। এখন প্রাচুর্য থাকা সত্ত্বেও খুবই সাধারণ জীবনযাপন করেন অভিনেতা। সংবাদমাধ্যমের কাছে এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, “আমি মনে করি যে, সুখী হতে কিংবা আরামদায়ক জীবনযাপন করতে প্রচুর টাকার প্রয়োজন হয় না। আমার কাছে যা আছে, তাতেই আমি খুশি।” Photo: Instagram@mrids_