Hema Malini-Dharmendra: হেমা মালিনী এখনও ধর্মেন্দ্রর 'ইক্কিস' দেখেননি; 'ক্ষতগুলো সেরে গেলে ছবিটি দেখব'
- Reported by:BENGALI NEWS18
- trending desk
- Published by:Salmali Das
Last Updated:
Hema Malini-Dharmendra: সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে এই অভিনেত্রী-রাজনীতিবিদ আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন এবং বলেন যে আপাতত ‘ইক্কিস’ দেখাটা তাঁর জন্য ‘খুবই আবেগঘন’ হবে। তবে, হেমা মালিনী এও জানান যে প্রিয় স্বামীর মৃত্যুর শোক কিছুটা কাটিয়ে উঠলে তিনি ছবিটি দেখবেন।
advertisement
1/6

হেমা মালিনী জানিয়েছেন যে তিনি এখনও তাঁর প্রয়াত স্বামী এবং প্রবীণ অভিনেতা ধর্মেন্দ্রর শেষ চলচ্চিত্র ‘ইক্কিস’ দেখেননি। সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে এই অভিনেত্রী-রাজনীতিবিদ আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন এবং বলেন যে আপাতত ‘ইক্কিস’ দেখাটা তাঁর জন্য ‘খুবই আবেগঘন’ হবে। তবে, হেমা মালিনী এও জানান যে প্রিয় স্বামীর মৃত্যুর শোক কিছুটা কাটিয়ে উঠলে তিনি ছবিটি দেখবেন।
advertisement
2/6
স্ক্রিনকে হেমা মালিনী বলেন, “ছবিটি যখন মুক্তি পায়, তখন আমি মথুরায় ছিলাম। আমাকে এখানে আমার কাজ করতে হয়। তাছাড়া, আমি এখন ছবিটি দেখতে পারব না, এটা আমার জন্য খুব আবেগঘন হবে। আমার মেয়েরাও একই কথা বলছে। হয়তো পরে দেখব, যখন ক্ষতগুলো সারতে শুরু করবে।”
advertisement
3/6
‘ইক্কিস’ সম্পর্কে কিছু কথাশ্রীরাম রাঘবন পরিচালিত এবং ম্যাডক ফিল্মস ব্যানারে দীনেশ ভিজান প্রযোজিত ‘ইক্কিস’ ছবিটি ভারতের সর্বকনিষ্ঠ পরম বীর চক্র প্রাপক সেকেন্ড লেফটেন্যান্ট অরুণ ক্ষেত্রপালের জীবনের সত্য ঘটনা অবলম্বনে নির্মিত। ১৯৭১ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধে তাঁর বীরত্ব তাঁকে এক চিরস্থায়ী জাতীয় প্রতীকে পরিণত করেছে। ছবিটিতে অভিনয় করেছেন অগস্ত্য নন্দা এবং সিমার ভাটিয়া, সঙ্গে জয়দীপ আহলাওয়াত ও প্রয়াত ধর্মেন্দ্রর শক্তিশালী অভিনয় ছবিটির গল্পে গভীর আবেগ যোগ করেছে। সিকন্দর খের এবং দীপক দোবরিয়ালও ছবিটিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় অভিনয় করেছেন।
advertisement
4/6
‘ইক্কিস’-এ ধর্মেন্দ্রর আবেগঘন উপস্থিতিনিউজ18 শোশা ‘ইক্কিস’কে ৪-স্টার রেটিং দিয়েছে এবং বলেছে, “‘ইক্কিস’ ছবিটি একাধিক কারণে বিশেষ। এই ছবিই ধর্মেন্দ্রর শেষ বড় পর্দার উপস্থিতি, যিনি ২০২৫ সালের নভেম্বরে মারা গিয়েছেন। এই কিংবদন্তি অভিনেতা অরুণ ক্ষেত্রপালের বাবার ভূমিকায় অভিনয় করেছেন এবং তাঁর উপস্থিতি গল্পের বর্ণনায় অপরিমেয় আবেগঘন ওজন যোগ করেছে।
advertisement
5/6
ধর্মেন্দ্রকে নিয়ে প্রতিটি দৃশ্য মনে এক নীরব বেদনা জাগিয়ে তোলে, যা আপনাকে তাঁর অনুপস্থিতি এবং হিন্দি চলচ্চিত্র শিল্পের অপূরণীয় ক্ষতির কথা মনে করিয়ে দেয়।” ছবিতে ধর্মেন্দ্রের অভিনয় প্রসঙ্গে আমাদের পর্যালোচনায় আরও বলা হয়েছে, “শ্রীরাম রাঘবন সম্ভবত ইচ্ছাকৃতভাবেই ধর্মেন্দ্রকে যথেষ্ট স্ক্রিন টাইম দিয়েছেন, এবং এটি ছবির অন্যতম সেরা সিদ্ধান্ত হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে।
advertisement
6/6
ধর্মেন্দ্র অতীত ও বর্তমানের মধ্যে একটি আবেগপূর্ণ সেতু হিসেবে কাজ করেছেন, এবং উষ্ণতা, মর্যাদা ও অভিজ্ঞতালব্ধ প্রজ্ঞা দিয়ে গল্পটিকে দৃঢ় ভিত্তি দিয়েছেন। পর্দায় তাঁর উপস্থিতি অত্যন্ত হৃদয়স্পর্শী এবং ছবিটি শেষ হওয়ার অনেক পরেও তা মনে থেকে যায়, যা দর্শকদের চোখে জল এনে দেয়।”