Arijit Singh: অরিজিতের জেলায় জন্ম আরও এক প্রখ্যাত গায়িকা! সকলেই চেনে, নামটা বলুন তো
- Reported by:Koushik Adhikary
- Published by:Pooja Basu
Last Updated:
গোটা দেশের সঙ্গীতপ্রেমীদের হৃদয়ে বিশেষ জায়গা করে নিয়েছেন গায়িকা। মুর্শিদাবাদের ছোট শহর বহরমপুর থেকে শুরু হওয়া তাঁর পথচলা আজ পৌঁছে গিয়েছে ভারতের চলচ্চিত্র সঙ্গীতের শীর্ষস্থানে।
advertisement
1/7

মুর্শিদাবাদ জেলার ভূমিপুত্র গায়ক অরিজিৎ সিং। ঠিক তেমনই এই জেলায় জন্ম আরও এক সঙ্গীত শিল্পীর। তিনি শ্রেয়া। শ্রেয়া ঘোষালের জন্ম বহরমপুর শহরে।
advertisement
2/7
গোটা দেশের সঙ্গীতপ্রেমীদের হৃদয়ে বিশেষ জায়গা করে নিয়েছেন গায়িকা। মুর্শিদাবাদের ছোট শহর বহরমপুর থেকে শুরু হওয়া তাঁর পথচলা আজ পৌঁছে গিয়েছে ভারতের চলচ্চিত্র সঙ্গীতের শীর্ষস্থানে।
advertisement
3/7
১৯৮৪ সালের ১২ মার্চ মুর্শিদাবাদ জেলার বহরমপুরে এক বাঙালি ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন শ্রেয়া ঘোষাল। ছোটবেলা থেকেই সঙ্গীতের প্রতি ছিল তাঁর গভীর টান। মাত্র চার বছর বয়স থেকেই তিনি সঙ্গীতের তালিম নেওয়া শুরু করেন। ছয় বছর বয়সে শুরু হয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীতে তাঁর আনুষ্ঠানিক শিক্ষা। সেই ছোটবেলা থেকেই তাঁর কণ্ঠের জাদু ধীরে ধীরে সকলের নজরে আসতে থাকে।
advertisement
4/7
ষোল বছর বয়সে তাঁর জীবনে আসে বড় সুযোগ। জনপ্রিয় সঙ্গীত প্রতিযোগিতা ‘সা রে গা মা পা’-তে অংশ নিয়ে তিনি বিজয়ী হন। এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের সময়ই তাঁর প্রতিভা নজর কাড়ে প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা সঞ্জয় লীলা বানসালির মায়ের। সেখান থেকেই খুলে যায় বলিউডে তাঁর প্রবেশের দরজা।
advertisement
5/7
২০০২ সালে সঞ্জয় ‘দেবদাস’-এ নেপথ্য কণ্ঠ দেওয়ার মাধ্যমে বলিউডে তাঁর অভিষেক ঘটে। এই ছবির গানগুলিতে কণ্ঠ দিয়ে শ্রেয়া মুহূর্তের মধ্যেই সবার নজর কেড়ে নেন। প্রথম ছবিতেই তিনি শ্রেষ্ঠ নারী নেপথ্য কণ্ঠশিল্পী বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার এবং ফিল্মফেয়ার পুরস্কার অর্জন করেন। পাশাপাশি নতুন সঙ্গীত প্রতিভা হিসেবে ফিল্মফেয়ার আর ডি বর্মণ পুরস্কারও পান।
advertisement
6/7
তাঁর ঝুলিতে রয়েছে চারটি জাতীয় পুরস্কার, চারটি কেরালা রাজ্য চলচ্চিত্র পুরস্কার, দুইবার তামিলনাড়ু রাজ্য চলচ্চিত্র পুরস্কার, সাতবার ফিল্মফেয়ার পুরস্কার এবং দশবার ফিল্মফেয়ার পুরস্কার দক্ষিণ।
advertisement
7/7
শ্রেয়া ২০১৫ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি শৈশবের বন্ধু শিলাদিত্য মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। বিয়ের আগে তাঁদের দশ বছরের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। গান গাওয়ার পাশাপাশি তিনি ভ্রমণ করতে ও বই পড়তে ভালবাসেন। তবে রান্না করলেই নাকি তিনি সবচেয়ে বেশি আনন্দ পান। বহরমপুরের কন্যার এই সাফল্যের গল্প আজ অসংখ্য তরুণ শিল্পীর কাছে স্বপ্ন আর অনুপ্রেরণার প্রতীক।