Actor | ৮ বছরের ভালবাসা... প্রথমে সম্পর্ক ছিল প্রশিক্ষক আর ছাত্রীর, মাধবন-সরিতার প্রেমের গল্প জেনে নিন ভালবাসার মরশুমে
- Reported by:BENGALI NEWS18
- Published by:Siddhartha Sarkar
Last Updated:
একজন প্রশিক্ষক থেকে মাধবন কীভাবে অভিনেতা হয়ে উঠেছিলেন? দেখা যাক তার প্রেমের গল্পই বা কী !
advertisement
1/7

রুপোলি পর্দায় আত্মপ্রকাশের পর থেকে তাঁরা সবার কাছে শুধুই অভিনেতা। কিন্তু এর আগে এবং এর পরে বলেও পরিচিতির দিক থেকে একটা ব্যাপার থাকে। যেমন, বলিউডের অনেক নায়ক, নায়িকা কেবল অভিনেতা নন, তাঁরা সেই গণ্ডি ছাড়িয়ে ছবি প্রযোজনা এবং নানা ব্যবসার সঙ্গেও যুক্ত। অনেকে আবার সরাসরি ছবিতে অভিনয় দিয়েই কর্মজীবন শুরু করেননি, ভাগ্য টেনে এনেছে রুপোলি পর্দার দুনিয়ায়, স্থান দিয়েছে দর্শকের মনে। আর মাধবনের কেরিয়ারের গল্পটাও ঠিক সেরকম, আর, তার সঙ্গেই জড়িয়ে রয়েছে তাঁর প্রেমের কাহিনী!
advertisement
2/7
এক সময়ে প্রশিক্ষক থাকা এই অভিনেতা ৮ বছর প্রেমে থাকার পর তাঁর ছাত্রীকে বিয়ে করেছিলেন। এখন তিনি তামিল এবং হিন্দি ভাষার একজন শীর্ষস্থানীয় অভিনেতা। একজন প্রশিক্ষক থেকে মাধবন কীভাবে অভিনেতা হয়ে উঠেছিলেন? দেখা যাক তার প্রেমের গল্পই বা কী!
advertisement
3/7
মাধবন ২০০০ সালে মণি রত্নম পরিচালিত 'আলাই পায়ুথে' সিনেমার মাধ্যমে তামিল সিনেমায় অভিনেতা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। তিনি তাঁর প্রথম ছবিতেই চকোলেট বয় ফেস এবং মনোমুগ্ধকর অভিনয় দিয়ে সবার মনে ছাপ ফেলেছিলেন। বলা বাহুল্য, মাধবন বিশেষ করে তরুণীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলেন। এরপ, তিনি 'মিন্নালে', 'মাস অ্যাকশন - লাভ' নামে পর পর বাণিজ্যিক হিট ছবি উপহার দেন।
advertisement
4/7
তিনি 'আয়ুথা এস্তুভু', 'আনবে শিবম', 'কন্নাথিল মুথামিত্তাল'-এর মতো অনেক হিট ছবিতে অভিনয় চালিয়ে যান এবং 'রকেট্রি দ্য নাম্বি ইফেক্ট' সিনেমার মাধ্যমে পরিচালক হিসেবেও নিজের ছাপ ফেলেন। তাঁর সাম্প্রতিক ছবি ‘ধুরন্ধর’ ১৩০০ কোটি টাকা আয় করেছে।
advertisement
5/7
ঝাড়খণ্ডের বাসিন্দা মাধবন চলচ্চিত্র জগতে প্রবেশের আগে একজন প্রশিক্ষক হিসেবে কাজ করতেন। তিনি ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং পড়েছিলেন এবং পড়াশোনা শেষ করার পর সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে চেয়েছিলেন। তবে, তাঁর বাবা-মায়ের জেদের কারণে তিনি শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বাড়ানোর প্রশিক্ষণ দেওয়া শুরু করেন।
advertisement
6/7
মহারাষ্ট্রের কুয়ালালামপুরে শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া মাধবনের সঙ্গে সেই সময়ে তাঁর ভবিষ্যৎ স্ত্রী সরিতা-র সঙ্গে দেখা হয়। ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্ট হওয়ার উচ্চাকাঙ্ক্ষা ছিল, তাই সরিতা ম্যানেজমেন্ট প্রশিক্ষণের জন্য মাধবনের কাছে আসেন। এই প্রশিক্ষণ শেষ করার পর সরিতাকে ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত করা হয়।
advertisement
7/7
পরবর্তীকালে সরিতা মাধবনকে ধন্যবাদ জানাতে একদিন ডিনারে আমন্ত্রণ জানান। মাধবন এবং সরিতা-র মধ্যে সেই ডেট প্রেমে পরিণত হয়। ৮ বছর প্রেমে থাকার পর ১৯৯১ সালে তাঁরা হিন্দু রীতি অনুসারে বিয়ে করেন। মাধবন একবার একটি সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, “কোনও স্বামীই তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে তর্ক জিততে পারে না।” উল্লেখযোগ্য যে এই দম্পতির বেদান্ত নামে একটি ছেলে রয়েছে।