Success Story: প্রাথমিক স্তরেই কৃতিত্ব অর্জন! রাজ্যের মেধাতালিকার প্রথম সারিতে কাঁথির দেবাঞ্জলি দাস
- Reported by:Madan Maity
- Published by:Salmali Das
Last Updated:
Success Story: মাধ্যমিক হোক বা উচ্চ মাধ্যমিক, শিক্ষা ক্ষেত্রে বরাবরই সাফল্যের নজির গড়ে চলেছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা। সেই ধারাবাহিকতা এবার বজায় থাকল প্রাথমিক স্তরেও। জেলার কৃতী পড়ুয়াদের তালিকায় নতুন করে নাম লিখিয়েছে কাঁথির এক ছাত্রী।
advertisement
1/6

মাধ্যমিক হোক বা উচ্চ মাধ্যমিক, শিক্ষা ক্ষেত্রে বরাবরই সাফল্যের নজির গড়ে চলেছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা। সেই ধারাবাহিকতা এবার বজায় থাকল প্রাথমিক স্তরেও। জেলার কৃতী পড়ুয়াদের তালিকায় নতুন করে নাম লিখিয়েছে কাঁথির এক ছাত্রী। ছোট বয়সেই তার এই বড় সাফল্য ইতিমধ্যেই শিক্ষামহলে আলোড়ন ফেলেছে। পরিবার থেকে শুরু করে স্কুল, সর্বত্রই খুশির আবহ। জেলাবাসিও তার এই সাফল্যে গর্বিত।
advertisement
2/6
কাঁথি চন্দ্রামণি ব্রাহ্মবালিকা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রী দেবাঞ্জলি দাস। এবার বৃত্তি পরীক্ষায় রাজ্যস্তরে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছে সে। প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন পর্ষদের উদ্যোগে এই বৃত্তি পরীক্ষার আয়োজন করা হয়েছিল। কঠিন প্রতিযোগিতার মধ্যেও নিজের মেধার প্রমাণ দিয়েছে দেবাঞ্জলি। ছোটবেলা থেকেই পড়াশোনার প্রতি তার আগ্রহ ছিল চোখে পড়ার মত।
advertisement
3/6
এই কৃতিত্বের জন্য কলকাতার প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিরোজিও হলে আয়োজিত কেন্দ্রীয় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তাকে সম্মান জানানো হয়। অনুষ্ঠানে দেবাঞ্জলির হাতে তুলে দেওয়া হয় রৌপ্যপদক, শংসাপত্র এবং স্মারক। মঞ্চে দাঁড়িয়ে নিজের সাফল্যের স্বীকৃতি পেয়ে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়ে ছোট্ট মেয়েটি। তার এই অর্জন অন্য পড়ুয়াদের কাছেও এক বড় অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছে।
advertisement
4/6
দেবাঞ্জলির এই বিশেষ মুহূর্তে তার পাশে ছিলেন বাবা দুর্গাদাস দাস এবং মা শিউলি দাস। মেয়ের সাফল্যে তারাও ভীষণ গর্বিত। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, ছোট থেকেই মেয়ের পড়াশোনার প্রতি আগ্রহকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। নিয়মিত পড়াশোনার পাশাপাশি তাকে মানসিকভাবে শক্ত করে তুলেছেন তার অভিভাবকরা। সেই চেষ্টারই আজ সার্থক পরিণতি মিলেছে এই সাফল্যের মাধ্যমে।
advertisement
5/6
কাঁথি শহরের উত্তর দারুয়ায় দেবাঞ্জলির বাড়ি। তার এই কৃতিত্বে গোটা এলাকায় আনন্দের হাওয়া বইছে। প্রতিবেশী থেকে আত্মীয়—সকলেই তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। স্থানীদের মতে, এমন সাফল্য এলাকার অন্য পড়ুয়াদেরও পড়াশোনার প্রতি আগ্রহী করে তুলবে। ছোট শহর থেকেও যে বড় সাফল্য অর্জন সম্ভব, তা আবারও প্রমাণ করল দেবাঞ্জলি।
advertisement
6/6
দেবাঞ্জলির এই সাফল্যে খুশি তার স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকারা। দেবাঞ্জলির বাবা দুর্গাদাস দাস বলেন, “আমার মেয়ে ছোট থেকেই খুব মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করে। আমরা কখনও ওর উপর চাপ দিইনি, শুধু উৎসাহ দিয়েছি। আজ ও রাজ্যে দ্বিতীয় হয়েছে, এটা আমাদের কাছে স্বপ্নের মত। এই সাফল্যের জন্য ওর শিক্ষক-শিক্ষিকাদের অবদান সবচেয়ে বেশি। ভবিষ্যতে ও আরও বড় কিছু করুক, এটাই আমাদের একমাত্র আশা।” দেবাঞ্জলির এই কৃতিত্ব কাঁথি তথা পূর্ব মেদিনীপুরের গর্ব আরও একধাপ বাড়িয়ে দিল।