শুধু তেল আর গ্যাস নয়, ভারতের দিকে এগিয়ে আসছে আরও এক বড় সঙ্কট ! দ্রুত ফাঁকা করছে সরকারের কোষাগার
- Published by:Siddhartha Sarkar
Last Updated:
টাকাকে আরও নীচের স্তরে ঠেলে দিয়ে প্রথম বার ডলার উঠে যায় ৯৩ টাকার উপরে। মুদ্রা বাজার মহলের দাবি, দিনভর যে ভাবে টাকা পড়েছে, তাতে কার্যত ডলারের ৯৩ টাকা ছোঁয়া এবং আরও এক ধাপ এগিয়ে ৯৪ টাকার দিয়ে ছুটে যাওয়ার উদ্বেগ একসঙ্গে কাজ করেছে।
advertisement
1/5

আজ যখন গোটা দেশ ইরান-ইজরাইল যুদ্ধ আর তেল ও গ্যাসের সঙ্কটের দিকে তাকিয়ে আছে, তখন আরেকটা বিপদ চুপিচুপি ভারতের দিকে এগিয়ে আসছে। এলপিজি সঙ্কট সরাসরি সাধারণ মানুষ আর ইন্ডাস্ট্রিগুলোর উপর আঘাত করেছে ৷ আর এই নতুন বিপদ দ্রুত ভারত সরকারের কোষাগারে ফাটল ধরাতে শুরু করেছে। এই বিপদ আরও বড় হয়ে উঠছে, কারণ মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল আর গ্যাসের সাপ্লাই বন্ধ হওয়ার পর ভারতকে অন্য দেশ থেকে অনেক বেশি দামে জ্বালানি কিনতে হচ্ছে। এরকম অবস্থায় ভারতীয় মুদ্রা আরও দুর্বল হয়ে পড়া সমস্যাও আরও বাড়িয়ে তুলেছে ৷
advertisement
2/5
এখানে কথা হচ্ছে ভারতীয় মুদ্রা, মানে ‘ইন্ডিয়ান রুপি’ নিয়ে। সারা দুনিয়ায় ব্যবসা যদিও ডলারেই হয়, কিন্তু আমাদের খরচ তো টাকাতেই করতে হয়। শুক্রবার ফরেক্স বাজারে রুপি ৬০ পয়সা পড়ে গিয়ে ডলারের তুলনায় এখন পর্যন্ত সবচেয়ে নীচে ৯৩.৪৯-এ পৌঁছে গিয়েছে। এর মানে, দেশকে এই সময়ে যেকোনও জিনিস কিনতে আগের তুলনায় অনেক বেশি দ্রুত নিজের ভাণ্ডার খালি করতে হচ্ছে। ইরান সঙ্কটের কারণে ডলার আবারও টানা শক্তিশালী হচ্ছে এবং এর খেসারত ভারতকে মোটা আমদানি বিল দিয়ে মেটাতে হচ্ছে।
advertisement
3/5
কেন পড়ে যাচ্ছে ভারতীয় টাকার দাম: ফোরেক্স (বিদেশি মুদ্রা) ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, বিশ্ব জুড়ে ক্রুড অয়েলের বাড়তে থাকা দাম স্থানীয় মুদ্রার উপর আরও চাপ দিয়েছে। শেয়ার বাজারে পজিটিভ ভাবনা থাকা সত্ত্বেও পতন থামেনি। গ্লোবাল মার্কেটে ক্রুড অয়েলের দাম ১৮০ ডলার প্রতি ব্যারেল পর্যন্ত পৌঁছানোর সম্ভাবনা বিনিয়োগকারীদের ভাবনায় নেগেটিভ প্রভাব ফেলেছে। এই সব ফ্যাক্টর একসঙ্গে সরাসরি ভারতীয় মুদ্রাকে দুর্বল করে দিচ্ছে।
advertisement
4/5
রেকর্ড পতন দেখা যাচ্ছে ভারতীয় মুদ্রায়: শুক্রবার সকালে আন্তঃব্যাঙ্ক বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময় বাজারে রুপি, ডলারের তুলনায় ৯২.৯২-এ খোলা হয়েছিল। তবে, দ্রুত আরও পতনের সঙ্গে এটি ৯৩-এর স্তরের নীচে নেমে যায়। লেনদেন চলাকালীন এটি ৯৩.৪৯ প্রতি ডলারে সর্বকালের সর্বনিম্ন স্তরে পৌঁছে যায়, যা আগের বন্ধের দামের তুলনায় ৬০ পয়সা কমে যাওয়া দেখায়। ভারতীয় টাকা বুধবার ৯২.৮৯ প্রতি ডলারে রেকর্ড সর্বনিম্ন স্তরে বন্ধ হয়েছিল। বৈদেশিক মুদ্রা বাজার ‘গুড়ি পড়ওয়া’-র কারণে বৃহস্পতিবার বন্ধ ছিল এবং শুক্রবারও চাপের মধ্যেই লেনদেন শুরু হয়। শনিবার (২১ মার্চ, ২০২৬) ১ মার্কিন ডলার ভারতীয় মুদ্রায় দাম ৯৩.৬৯ টাকা ৷ (Photo: AP)
advertisement
5/5
ডলারের শক্তি ক্রমাগত বাড়ছে: এই সময়ে, ছয়টি প্রধান মুদ্রার বিপরীতে আমেরিকান ডলারের অবস্থান দেখানো ডলার সূচক ০.১৭ শতাংশ বেড়ে ৯৯.৪০-এ পৌঁছেছে। এর মানে হচ্ছে ডলার এই সময়ে আবারও বিশ্বজুড়ে অন্য কারেন্সির উপরে বাড়তে সফল হয়েছে। কারণ, বিশ্বব্যাপী বেশিরভাগ ট্রেডিং ডলারে হয়, তাই বর্তমান পরিস্থিতিতে বাড়তে থাকা তেলের দাম এবং গ্যাসের দামের সুবিধা ডলারই পাচ্ছে। এই কারণেই ভারতীয় টাকা দুর্বল হচ্ছে এবং সরকারি কোষাগারের উপর বোঝাও ক্রমাগত বাড়ছে। (Photo: AP)
বাংলা খবর/ছবি/ব্যবসা-বাণিজ্য/
শুধু তেল আর গ্যাস নয়, ভারতের দিকে এগিয়ে আসছে আরও এক বড় সঙ্কট ! দ্রুত ফাঁকা করছে সরকারের কোষাগার