আরও পড়ুন: ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল কলকাতা সহ বাংলা, উৎপত্তিস্থল অসম
কখনও চলন্ত ট্রেনের সামনে, কখনও চলন্ত বাইক থেকে। জায়গা বদলেছে, বদলেছে চরিত্র। কিন্তু পরিণতি বারবার সেই একই। মৃত্যু। ফের একবার সেলফি যখন প্রাণঘাতী। দিদি-জামাইবাবুর বাড়িতে বেড়াতে আসেন অন্ডালের বাসিন্দা বিবেক চন্দ্রবংশী ও তাঁর কয়েকজন বন্ধু। সকালে ঘাঘরবুড়ি মন্দিরে পুজো দিতে যান তাঁরা। ঘাঘরবুড়ি মন্দিরের পিছনেই নুনিয়া নদী।
advertisement
মন্দিরে পুজো দিয়ে আসানসোলের নুনিয়া নদীর পাড়ে ঘুরতে যান বিবেক ও তাঁর বন্ধুরা। নদীর পাশে পাথরের মধ্যে দাঁড়িয়ে মোবাইলে সেলফি তুলছিলেন। পাথরে লেগে ছিল শ্যাওলা। পা পিছলে ভারসাম্য হারিয়ে নদীতে পড়ে তলিয়ে যান বিবেক।
আরও পড়ুন: মোমো চ্যালেঞ্জ - কীভাবে ছেলে মেয়েকে নজরে রাখবেন জানেন
আসানসোলের নুনিয়া নদীতে সাধারণত জল থাকে না। তবে লাগাতার বৃষ্টিতে বেড়েছে জলস্তর। এই জায়গাতে আগেও বহুবার দুর্ঘটনা ঘটেছে। বিপজ্জনক জায়গার তকমা দিয়ে লাগানো হয়েছে সতর্কতা বোর্ডও। আজও বিবেক ও তাঁর বন্ধুদের ওই জায়গায় যেতে বারণ করেন মন্দির কমিটির সদস্যরা। কিন্তু কানে তোলেননি বিবেক। মৃত্যুর হাতছানিতে তখন বেপরোয়া যৌবন।
আরও পড়ুন: রেহাই নেই, আরও ২ দিন বৃষ্টিতে ভাসবে উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গ
তলিয়ে যাওয়ার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় আসানসোল উত্তর থানার পুলিশ। তল্লাশিতে ডাকা হয় বিপর্যয় মোকাবিলা দলকেও। নুনিয়া নদীর এই জায়গায় পাথরের মধ্যে দিয়ে বয়ে গেছে জল। রয়েছে গভীর গর্তও। সেই গর্তেই দেহ আটকে যাওয়ায় হিমশিম খান উদ্ধারকারীরা। পরে জলের চাপে দেহ ভেসে উঠে আটকে যায় জালে। দেহ উদ্ধার করে পাঠানো হয়েছে ময়নাতদন্তে।
সচেতনতা, সাবধানতাকে ডোন্ট কেয়ার। আর কত জীবন গেলে তবে হুঁশ ফিরবে সেলফিপ্রেমীদের? এদিনের ঘটনা ফের একবার সেই প্রশ্নই তুলে দিল।
