পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার চন্দ্রকোনা এক নম্বর ব্লকের রাঙামাটি গ্রামের বাসিন্দা রাখাল আড়ি। পরিবারের দাবি, ভাগে চার বিঘা আলু চাষ করেছিলেন তিনি। এই আলু চাষ করতে আনুমানিক প্রায় এক লক্ষ ৪০ হাজার টাকা খরচ হয়েছিল, স্ত্রীর গহনা বন্ধক রেখে ঋণ নিয়েছিল সে। নিজস্ব সম্পত্তি বলতে মাত্র ১০ কাঠা, মা, স্ত্রী ও দুই সন্তানকে নিয়ে সংসার । আর সেই আলু চাষ করে আলু চাষের ক্ষতির সম্মুখীন হতেই এই ঘটনা। কারণ মাঠ থেকে পাকা আলু উঠতে শুরু করতেই আলুর দাম নেই। বর্তমানে আলুর দাম ৩২০/৩৫০ টাকা কুইন্টাল। এই নিয়েই স্বামী স্ত্রীর বিবাদ, আর সেই বিবাদের জেরেই কীটনাশক খান ওই আলু চাষি। শুক্রবার সন্ধায় তারপরে তাঁকে ঘাটাল হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও শেষ রক্ষা হয়নি। বুধবার রাতে মৃত্যু হয় রাখালের। পরিবার-সহ এলাকার মানুষের দাবি আলু চাষে ক্ষতি হওয়ায় ঋণ নেন তিনি। জানা যায়, সেই জন্যই আত্মহত্যা করেছে রাখাল।
advertisement
তবে কৃষকের মৃত্যুতে ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক তরজা। তবে এ বিষয়ে চন্দ্রকোণার বিধায়ক অরুপ ধাড়া বলেন, রাখাল তৃণমূলের কর্মী ছিল। এই পরিবারের পাশে তারা থাকবেন। কেন এমন হল সে বিষয়ে তদন্তও শুরু হয়েছে।
