জেলা পরিবহণ দফতরের তরফে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে জানান হয়েছে, আপাতত শুধুমাত্র মেদিনীপুর থেকে খড়গপুরমুখী ভারী যানবাহনের ক্ষেত্রেই এই ছাড় দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ সর্বাধিক ৩৫ টন ওজনের ট্রাক ও ভারী গাড়ি এই দিক দিয়ে চলাচল করতে পারবে। জেলা পরিবহণ আধিকারিক (আরটিও) সন্দীপ সাহা জানান, পূর্ত দফতর, জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত ইঞ্জিনিয়ারদের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করেই পরীক্ষামূলক ভাবে লোড ক্যাপাসিটি বাড়ান হয়েছে। এই পরীক্ষামূলক পর্যায় সফল হলে উভয় দিকেই একই ছাড় কার্যকর করা হবে।
advertisement
আরও পড়ুন: সীমান্ত সুরক্ষায় এসএসবি-র মাস্টারস্ট্রোক! অনুপ্রবেশকারীদের রাতের ঘুম ওড়াবে এআই, জানুন পুরো প্ল্যান
উল্লেখ্য, ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি মেদিনীপুর ও খড়্গপুরের সংযোগস্থলে কংসাবতী নদীর উপর দেশপ্রাণ বীরেন্দ্র সেতুটি নির্মিত হয়। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার একটি বড় অংশের সঙ্গে কলকাতা এবং ভিনরাজ্যের সড়ক যোগাযোগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম এই সেতু। তবে ২০২২ সালে সেতুটিকে দুর্বল বলে চিহ্নিত করা হয়। এরপর ২০২৩ সালে সংস্কারের কাজ শেষ হলেও সর্বোচ্চ ২৫ টন ওজন পর্যন্ত যান চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। এর জেরে ট্রাক চালক ও ব্যবসায়ীদের একাংশ সমস্যায় পড়েন এবং নতুন ব্রিজের দাবিও ওঠে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
গত ২৩ ডিসেম্বর জেলাশাসক বিজিন কৃষ্ণা জানিয়েছিলেন, পূর্ত দফতর ও জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের অনুমোদন মিলেছে এবং সেতুর লোড ক্যাপাসিটি বাড়ান হবে। সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ীই ২২ জানুয়ারি থেকে নতুন ছাড় কার্যকর হল। এদিকে, জাতীয় সড়ক ৬০ (বর্তমানে ১৪ নম্বর জাতীয় সড়ক)-এর উপর দেশপ্রাণ বীরেন্দ্র সেতু এবং গড়বেতার ধাদিকা ব্রিজের বিকল্প হিসেবে ১৫৮ কোটি টাকা ব্যয়ে দু’টি নতুন সেতু নির্মাণের কাজও শুরু হয়েছে। জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের আধিকারিক জয়ন্ত গড়াই জানান, মোহনপুর ও ধাদিকা—দু’টি জায়গাতেই একযোগে কাজ চলছে এবং তা শেষ হতে প্রায় দু’বছর সময় লাগতে পারে।






