সংশ্লিষ্ট সাংগঠনিক জেলায় ভোট প্রচার থেকে ভোট ম্যানেজমেন্ট খুঁটিনাটি সমস্ত দায়িত্ব সামলাবে এই কমিটি। বারাসত, বহরমপুর, জঙ্গিপুর সাংগঠনিক জেলায় এই কমিটি গড়ে দেওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত এই তিন সাংগঠনিক জেলা উত্তর ২৪ পরগণা ও মুর্শিদাবাদ জেলার অন্তর্ভুক্ত। যেখানে রয়েছে একাধিক বিধানসভা আসন। লোকসভা ভোটে বারাসত, বহরমপুর, মুর্শিদাবাদ, জঙ্গিপুর জোড়াফুল শিবিরের দখলে রয়েছে।
advertisement
আরও পড়ুন– দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণাবর্ত নিম্নচাপে পরিণত ! বাংলায় কি এর কোনও প্রভাব পড়বে? জেনে নিন
কিন্তু বিধানসভা ভোটের আগে এই সব বিধানসভায় পারস্পরিক কিছু সমস্যা নিচু তলে নজরে এসেছে। তাই এই ইলেকশন কোর কমিটি গড়ল শীর্ষ নেতৃত্ব। বারাসত ডিস্ট্রিক্ট ইলেকশন কোর কমিটিতে আহ্বায়ক ও সহ আহ্বায়ক পদ দেওয়া হয়েছে। রথীন ঘোষ ও জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ১৬ জনের কোর কমিটিতে বারাসত সাংগঠনিক জেলার সভাপতি সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার ও চেয়ারম্যান সব্যসাচী দত্ত রয়েছেন। তৃণমূল সূত্রে খবর, রথীন ঘোষ ও জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের ভোট করানোর অভিজ্ঞতা ও সাফল্য অনেক বেশি। তাই এই দুই নেতাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
বহরমপুর ও জঙ্গিপুর সাংগঠনিক জেলায় ইলেকশন কোর কমিটিতে নেই আহ্বায়ক পদ। এখানে তিন সাংসদ খালিলুর রহমান, আবু তাহের ও ইউসুফ পাঠান আছেন। খালিলুর আবার সাংগঠনিক জেলার সভাপতি। এছাড়া সাংগঠনিক দায়িত্ব প্রাপ্ত জাকির হোসেন, অপূর্ব সরকার আছেন। অধীরের জেলায় ইমানি বিশ্বাস, কানাইচন্দ্র মন্ডল, শেখ নিয়ামত, সৌমিক হোসেন, রবিউল চৌধুরী, নজরুল ইসলামদের রাখা হয়েছে।
মুর্শিদাবাদ জেলার তিন লোকসভা আসনেই জয় পায় তৃণমূল। কিন্তু ফারাক্কা, সামশেরগঞ্জের মতো আসন যা মালদহের এক লোকসভার সাথে সংযুক্ত। সেখানে ভাল ফল করে কংগ্রেস। আবার সামশেরগঞ্জে অশান্তির ফলে কিছুটা রাজনৈতিক স্থিতির বদল হয়েছে এলাকায়। স্থানীয় সূত্রে খবর, জঙ্গিপুরে পুরসভা স্তরে পারস্পারিক দ্বন্দ্ব প্রভাব ফেলতে পারে। অন্যদিকে, সদ্য দলত্যাগী হুমায়ুন কবীর নতুন দল গঠন করেছেন। ‘মিম’-কে নিয়ে লাগাতার একাধিক স্থানে প্রচার করছেন। জেলায় সভা মিছিল বাড়াচ্ছে আইএসএফ। এই অবস্থায় মুর্শিদাবাদ জেলায় নিচু স্তরে পারস্পারিক সংযোগ ভোটের আগে বাড়াতে চায় তৃণমূল।
