জানা গিয়েছে ধীরাজ নামের ওই শিশুটি হারিয়ে যাওয়ার পর প্রচণ্ড কাঁদছিল। ভয়ানক কান্নাকাটির চোটে মানসিক অস্থিরতার জন্য সে নিজের নাম ছাড়া আর কোনও তথ্য জানাতে পারেনি। এই ঘটনায় কচুবেরিয়ার হ্যাম রেডিও অপারেটর দিবস মণ্ডল ও নির্মলেন্দু মাহাতো কাজে নেমে পড়েন, শুরু হয় বাবা-মায়ের খোঁজা। পরবর্তীতে একটি তথ্য আসে ৬০ জনের একটি দলের সঙ্গে ওই শিশুটি ও তার পিসি রামশিরা-র সঙ্গে সাগরে এসেছিল।
advertisement
আরও পড়ুন: ৪ বছর পরে একদিনের ক্রিকেট র্যাঙ্কিংয়ে ফের শীর্ষে কিং কোহলি! সরিয়ে দিলেন সতীর্থকেই
লট এইট থেকে কচুবেড়িয়ার উদ্দেশে লঞ্চ পার হওয়ার পর প্রচণ্ড ভিড়ের মধ্যে শিশুটি দলছুট হয়ে যায়। শিশুটির বাড়ির ঠিকানা চিহ্নিত করা হয় এবং সুদূর উত্তর প্রদেশ থেকে বাবা-মায়ের ফোন নম্বর সংগ্রহ করে শিশুটির মায়ের সঙ্গে কথা বলানো হয়। শিশুটির বাবার নাম রামলাখান এবং মায়ের নাম সরস্বতী। তাঁদের বাড়ি উত্তর প্রদেশের লাখিমপুর খেরি জেলার সিঙ্গাহী গ্রামে। শিশুটির নিজের কোনও যোগাযোগ নম্বর না থাকায়, যে গাড়িতে করে তারা এসেছিল সেই গাড়ির ম্যানেজারের সঙ্গে দ্রুত যোগাযোগ করা হয়।
আরও পড়ুন: শচীনের রেকর্ড ভেঙে ইতিহাস গড়লেন বিরাট! একমাত্র ভারতীয় ব্যাটার হিসাবে নজির কোহলির
পরে জানা যায়, ওই ৬০ জনের দলের কিছু সদস্য চলে যান নামখানার দিকে এবং কিছু সদস্য চলে যান গঙ্গাসাগরে। যিনি শিশুটির পিসিকে সঙ্গে নিয়ে তাকে আনতে নামখানা থেকে রওনা দিয়েছিলেন, দুর্ভাগ্যবশত পথিমধ্যেই তাঁর মোবাইল ফোনের চার্জ শেষ হয়ে যায়। ফলে পরিস্থিতি আরও জটীল হয়ে। এরপর হ্যাম রেডিও অপারেটরা অত্যাধুনিক ডিজিটাল মোবাইল রেডিও প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে ভিড়ের মাঝেই শিশুটির পিসি ও বাস ম্যানেজারের সন্ধান পাওয়া যায়।
