দিল্লি পুলিশের বঙ্গভবনে যাওয়া নিয়ে শুভেন্দু বলেন, ”নিশ্চিতভাবে কিছু ইনপুট আছে দিল্লি পুলিশের কাছে। কাশ্মীরের জঙ্গি যদি ক্যানিংয়ে থাকতে পারে, যদি সিমির লোকদের সঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের যোগাযোগ থাকতে পারে, তাহলে তো পুলিশ সতর্ক থাকবে। মুখ্যমন্ত্রীর সহযোগিতা করা দরকার।”
শুভেন্দুর সংযোজন, ”এসআইআর আতঙ্কের নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভুল নাম ঢুকিয়েছে এই সরকার। এসআইআর সেই প্ল্যান ভেস্তে দিচ্ছে। আজ প্রতিবাদ হবে ডিএম-এর অফিসের সামনে হয়রানির প্রতিবাদে। আর আমি সহ ১৪ প্রতিনিধি দল যাবে লোকভবনে। রাজ্যের মুখ্যসচিব নন্দিনী দেবীকে চিঠি দিয়েছিলাম হয়রানির অভিযোগ জানাতে যাব আজ তাই। উনি বলেছেন ৬ তারিখ দেখা করবেন আমাদের সঙ্গে। যারা ভুল করেছেন সেই ইআরও, এইআরও-র বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। তিন জেলা পূর্ব মেদিনীপুর, মুর্শিদাবাদ ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলাশাসককে বরখাস্ত করতে হবে।”
advertisement
এদিন অবশ্য অমিত শাহের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ উগরে দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা। তিনি বলেন, ‘দিল্লিতে যখন বিস্ফোরণ হয়, তখন এত পুলিশ কোথায় থাকে? আমি দিল্লি এলেই এরা ঘাবড়ে যায়। চাইলে আমি লাখ লাখ লোক নিয়ে আসতাম- তা করিনি। নিয়মের বাইরে কিছু করছি না। যা করছি অনুমতি নিয়েই করছি।’ এখানেই শেষ নয়, তাঁর কথায়,‘আসল হচ্ছে মাথায় বসে থাকা ওই লোকটা। দিল্লি পুলিশ আমাদের রাজ্যের লোকদের উপরে অত্যাচার করছে। হুমকি দিচ্ছে। অমিত শাহ বাংলায় এলে লাল কার্পেট পেতে অভ্যর্থনা করা হয় আর আমরা দিল্লি এলেই ব্ল্যাক কার্পেট!’
