জানা গিয়েছে, শনিবার সকালে ওই কমিউনিটি টয়লেটের সেপটিক ট্যাঙ্ক পরিষ্কারের কাজের জন্য জয়নগর থানার বাসিন্দা জয়দেব হালদারকে ফোন করে ডাকা হয়। তিনি নির্ধারিত সময়ে পৌঁছে বাজার কমিটির সঙ্গে কথা বলে কাজ শুরু করেন। সেই সময়ই ঘটে বিপত্তি।
advertisement
এদিন জয়দেববাবু কাজ শুরু করার কিছুক্ষণ পর একটি শব্দ শোনা যায়। সেই শব্দের পর সেখানে উপস্থিত লোকজন ছুটে গিয়ে তাঁকে ডাকাডাকি করলেও কোনও সাড়া মেলেনি। পরিস্থিতি খারাপ দেখে সেপটিক ট্যাঙ্কের দেওয়াল ভেঙে তাঁকে উদ্ধার করে জয়নগর কুলতলি গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
এই ঘটনা প্রসঙ্গে বাপি লস্কর নামে বাজার কমিটির এক সদস্য বলেন, “আমাদের বাজারের শৌচালয় কয়েকদিন খারাপ ছিল। সেই জন্য ওনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। এর আগেও উনি দু-তিনবার এই সেপটিক ট্যাঙ্ক পরিষ্কার করেছেন। উনি এদিন এসে একটি সিঁড়ি নিয়ে সেপটিক ট্যাঙ্কের ভিতরে যান। দু-তিন মিনিট পর হঠাৎ একটা শব্দ হয়। আমরা তাকিয়ে দেখি উনি পড়ে গিয়েছেন। এরপর তড়িঘড়ি আমরা লোকজন ডেকে দেওয়াল ভেঙে ওনাকে বের করে আনি। তবে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করেন”।
