জানা গিয়েছে, দিনের বেশিরভাগ সময় বিদ্যুৎ না থাকা কিংবা থাকলেও অত্যন্ত কম ভোল্টেজ— এই জোড়া সমস্যায় দৈনন্দিন কাজকর্ম থেকে পড়াশোনা, সব ক্ষেত্রেই এই দুই গ্রামের বাসিন্দাদের বিপাকে পড়তে হচ্ছে। বর্তমানে পরীক্ষার মরসুম চলায় সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছেন ছাত্রছাত্রীরা।

আরও পড়ুনঃ দিঘা ভ্রমণ এবার আরও সস্তা! কম খরচে থাকার ব্যবস্থা করল উত্তরপাড়া-কোতরং পুরসভা, পর্যটকদের জন্য খুশির খবর

advertisement

অভিযোগ, বিদ্যুৎ থাকলেও লো ভোল্টেজের কারণে ঠিকমতো আলো জ্বলে না। অনেকক্ষেত্রেই ল্যাম্প জ্বালিয়ে পড়াশোনা করতে হচ্ছে। এতে পড়ুয়ারা যেমন সমস্যায় পড়ছে, তেমনই অভিভাবকদের মধ্যেও উদ্বেগ বাড়ছে। অন্যদিকে, কৃষকরাও ক্ষতির মুখে পড়ছেন বলে দাবি। সেচের কাজে বিদ্যুতের উপর নির্ভরতা থাকলেও লো ভোল্টেজের কারণে ঠিকমতো পাম্প চলছে না। ফলে চাষের কাজে ব্যাপক প্রভাব পড়ছে বলে অভিযোগ।

advertisement

স্থানীয়দের দাবি, বিদ্যুৎ দফতরে বারবার অভিযোগ জানানো হলেও স্থায়ী সমাধান মেলেনি। অভিযোগের পর শুধুমাত্র আশ্বাসই মিলেছে বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বাসিন্দারা। এই প্রসঙ্গে কুলতলি পঞ্চায়েত সমিতির বিদ্যুৎ দফতরের কর্মাধ্যক্ষ আব্দুল কাহার ঘরামি জানিয়েছেন, খুব তাড়াতাড়ি সমস্যার সমাধান হবে। ইতিমধ্যেই একটি নতুন সাবস্টেশন তৈরির কাজ শুরু হয়েছে বলেও জানান তিনি। বাস্তবে এলাকার বাসিন্দারা কবে স্বস্তি পান, সেটাই এখন দেখার।

advertisement