মৃতদের অধিকাংশ আবার বেহালা চৌরাস্তা ক্রসিং থেকে জোকা পর্যন্ত রাস্তার মধ্যে দুর্ঘটনার কবলে পড়েছেন। ডায়মন্ড হারবার রোডের এইটুকু অংশের দৈর্ঘ্য মাত্র ৪ কিলোমিটার। এমন জায়গা খুঁজে পাওয়া কঠিন, যেখানে ৪ কিলোমিটারের মধ্যে এত মানুষ প্রাণঘাতী দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন।
advertisement
এই পরিসংখ্যান দেখে পুলিশকর্তারা যথেষ্ট চিন্তিত। ইতিমধ্যেই ডায়মন্ড হারবার রোডে ট্রাফিক কর্তারা পরিদর্শন করেছেন। দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণে একাধিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে। কিছুদিন আগে থেকেই ব্লাইন্ড স্পটগুলি চিহ্নিত করা হচ্ছিল। এবার সিসিটিভি, স্পিড লিমিট কমানো সহ একাধিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জানা যাচ্ছে, দুর্ঘটনার শিকার শুধু বেপরোয়া গতির বাইক চালকরা নন। দেখা গিয়েছে, জোকা ইএসআই হাসপাতালের কর্মী রূপা মণ্ডল (৩৮) নাইট ডিউটি সেরে সকালে স্কুটি চালিয়ে ছেলেকে স্কুলে দিতে যাওয়ার সময় ঠাকুরপুকুর ৩-এ বাসস্ট্যান্ডের সামনে বেপরোয়া বাস তাঁদের পিষে দেয়। ঠাকুরপুকুর থানায় লরির ধাক্কায়া আবার এক পুলিশ কনস্টেবল প্রাণ হারান।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
সাধারণ মানুষজন বিনা কারণে দুর্ঘটনার কবলে পড়ছেন। সুতরাং দেখা গিয়েছে, দুর্ঘটনার কারণ কিন্তু অন্য। ফলে অনুসন্ধান চলছে। এই ৪ কিলোমিটার অংশ ছাড়াও আরও দু’টি হটস্পট রয়েছে। ফলে ডায়মন্ড হারবার রোডে কেন এত দুর্ঘটনা ঘটছে, সেটাই ভাবাচ্ছে সকলকে।






