২০২৪-২৫ সালে এইরকম প্রায় ৪০টি সংস্থাকে চিঠি ধরাচ্ছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার খাদ্য বিভাগ। জানা গিয়েছে, তথ্য দেওয়ার জন্য গত বছর মে মাস পর্যন্ত বাড়তি সময় দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ওই সংস্থাগুলি এই কাজ করেনি বলে অভিযোগ। এরপরেও কেটে গিয়েছে ৯ মাস। রিপোর্ট না দেওয়ায় জরিমানা বাবদ ওইসব সংস্থার প্রায় ৫ লক্ষ টাকা বকেয়া হয়েছে।

advertisement

আরও পড়ুনঃ ৮০০-৯০০ বছর পুরনো! পূর্ব বর্ধমানে পাল-সেন যুগের বিষ্ণুমূর্তি উদ্ধার, পুকুর খননের সময় মিলল এক টুকরো ‘ইতিহাস’

এদিকে এখনও উৎপাদন ও বিক্রি রিপোর্ট না দেওয়ায় জরিমানার পরিমাণ বাড়ছে। কিন্তু ওই সংস্থাগুলির কোনও হেলদোল দেখা যাচ্ছে না। তবে এই জরিমানার টাকা না মেটালে তাঁদের লাইসেন্স পুনর্নবীকরণ করা হবে না। যাদের চিঠি পাঠানো হয়েছে, তাঁরা যদি দ্রুত জরিমানার টাকা না মেটায়, তাহলে কড়া পদক্ষেপের মুখে পড়তে হতে পারে। এই ঘটনা এখন সকলকে ভাবাচ্ছে। সমস্যার সমাধান না হলে এবার কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।

advertisement

View More

আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন

নিয়ম অনুযায়ী, একটি অর্থবর্ষের মধ্যে এই সকল তথ্য পোর্টালে আপলোড করতে হয়। তার উপর নির্ভর করে সংশ্লিষ্ট খাবার প্রস্তুতকারী সংস্থার লাইসেন্সের রিনিউয়াল। এখন দেখার আগামীদিনে এই ইস্যু কোনদিকে মোড় নেয়।