গ্রামবাসীরা জানাচ্ছেন, জেসিবির মাধ্যমে প্রথমে ওই জঙ্গলের বেশ কিছু ম্যানগ্রোভ কেটে ফেলা হয়। এরপরই নদীর চরের মাটি কেটে রাস্তার পাশে উঁচু করে রাখা হচ্ছিল। কিন্তু কেন হঠাৎ করে ম্যানগ্রোভ কেটে নদীর চরের মাটি কাটা হচ্ছিল গ্রামবাসীরা কেউ কিছুই জানেন না। ধোঁয়াশায় রয়েছেন তাঁরা। গ্রামবাসীর অভিযোগ, এই ফেরিঘাট থেকে ঢিল ছোড়া দূরত্বে বন দফতরের অফিস রয়েছে। তা সত্ত্বেও এরূপ অবৈধ কাজ হচ্ছে। সবার অজান্তে রাতের অন্ধকারে এই কাজ করা হচ্ছে।
advertisement
এ বিষয়ে স্থানীয় এক বাসিন্দা দীপক কুমার দাস বলেন, “রাতে কখন এরূপ কাজ করা হয়েছে কেউ জানি না। সকালবেলা ফেরি ঘাটের কাছে এসে দেখছি অনেকগুলি ম্যানগ্রোভ কেটে ফেলা হয়েছে। এমনকি নদীর চরের মাটি কাটা হয়েছে। সেখানে বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। অথচ এই নদীর চরে জোয়ার ভাটা খেলে। এইভাবে ম্যানগ্রোভ ধ্বংস করা হলে আগামী দিনে এই এলাকা বাঁচানো সম্ভব নয়। বিষয়টি প্রশাসনের দেখা উচিত।”
পাথরপ্রতিমার বিধায়ক সমীর কুমার জানা বলেন, “ম্যানগ্রোভ আছে বলে সুন্দরবনের অস্তিত্ব রয়েছে। এগুলি কেটে ফেলার বিষয়টি আমরা কেউ সমর্থন করি না। যদি এরকম কোন ঘটনা ঘটে থাকে তাহলে গুরুত্ব সহকারে দেখা হবে। এছাড়াও দোষীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
