তাঁর চিঠিতে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরেছেন অভিষেক:
দৈনিক সাপ্লিমেন্টারি ভোটার তালিকার মাধ্যমে অন্তর্ভুক্ত ভোটারদের চূড়ান্ত ভোটার তালিকার অংশ হিসেবে গণ্য করা হবে কিনা তা নিশ্চিত করার জন্য কোনও স্পষ্ট বিজ্ঞপ্তি নেই।
বিচারের ফলাফল প্রতিফলিত করে সাপ্লিমেন্টারি ভোটার তালিকা দৈনিক প্রকাশের নির্দেশ মান্যতাহীনতা।
ভোটারদের দাবি এবং আপত্তির উপর বিচারক কর্তৃপক্ষ কর্তৃক গৃহীত সিদ্ধান্ত জনসাধারণের কাছে প্রকাশ না করায় স্বচ্ছতার অভাব।
advertisement
কেন একজন ভোটারের নাম প্রত্যাখ্যান বা মুছে ফেলা হয়েছে তা ব্যাখ্যা করে যুক্তিসঙ্গত আদেশের অনুপস্থিতি, নাগরিকদের আইনি প্রতিকার চাওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত করছে।
এদিন ধর্মতলায় ধরনা মঞ্চে দাঁড়িয়েও এসআইআর ইস্যুতে গর্জে ওঠেন অভিষেক। ধরনা মঞ্চে বক্তব্যের শুরুতেই এসআইআর প্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশনকে তীব্র ভাষায় বিঁধলেন অভিষেক। তিনি বলেন, “সকলকে প্রণাম জানাই। সকল ধর্মের সকলকে কৃতজ্ঞতা জানাই। অপরিকল্পিত এসআইআর হচ্ছে। বিচারব্যবস্থার একাংশ, ইডি-সিবিআই, সংবাদ মাধ্যম সকলকে চ্যালেঞ্জ। মানুষ ভোট দেবে, এই লড়াই সেই লড়াই। খসড়া তালিকা থেকে নাম কেটেছে ৫৮ লক্ষের। ২৮ ফেব্রুয়ারির পর দেখা গেল সংখ্যাটা প্রায় ৬৩ লক্ষ ৫৪ হাজার। বিচারাধীন ৬০ লক্ষ। মোট প্রায় ১ কোটি ২০ লক্ষ। এসআইআর-এর আগে থেকে বিজেপি নেতারা গলা ফাটিয়ে এই সংখ্যাই বলেছিলেন। এটা তো কাকতালীয় হতে পারে না।”
একইসঙ্গে অভিষেকের আশ্বাস, “যতদিন এই ৬০ লক্ষ মানুষ তাঁদের ন্যায্য অধিকার পাবেন না, বঞ্চিত থাকবেন, ততদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তৃণমূল কংগ্রেস রাস্তায় থাকবে। মনে রাখবেন এই ৬০ লক্ষ ভোটারের ভোটে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছেন। দেশের প্রধানমন্ত্রীর চেয়ার কেন বিবেচনাধীন হবে না? আমরা দেখা করতে গিয়েছিলাম। জ্ঞানেশ কুমার তর্জনী তুলে আমাদের সঙ্গে কথা বলেছেন। অমিত শাহকে সন্তুষ্ট করার জন্য আমাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেছে কমিশন।”
