এই পরিস্থিতির মধ্যেই এবার এসআইআর শুনানিতে ডাক পেলেন আইএসএফ বিধায়ক নৌশাদ সিদ্দিকি। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, ভাঙড়ের বিধায়ককে আগামী ২৭ জানুয়ারি হুগলির জাঙ্গিপাড়া BDO অফিসে হাজির হতে বলা হয়েছে। কমিশনের দাবি, তাঁর জমা দেওয়া নথিতে কিছু তথ্যগত অসঙ্গতি রয়েছে, সেই কারণেই এই শুনানি।
আরও পড়ুনঃ মাধ্যমিক পরীক্ষায় প্রভাব পড়ার আশঙ্কা, এসআই ও বিএলওদের ছাড় চেয়ে নির্বাচন কমিশনকে চিঠি
advertisement
তিনি বলেন, ‘এটা একটা হয়রানি ছাড়া আর কিছুই না। ২৭ জানুয়ারি, জাঙ্গিপাড়া বিডিও অফিসে হেয়ারিং আছে নওশাদ সিদ্দিকির৷ ২১-এর নির্বাচনে এনআরসি ইস্যু ছিল। ২৬-এ কোনও ইস্যু নেই তৃণমূল ও বিজেপির কাছে। আমার ভোটাধিকার কেউ নষ্ট করতে পারবে না। আমি একটুও চিন্তিত নই।’
রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে এসআইআর শুনানিকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে বিক্ষোভ, অবরোধ। কোথাও প্রতিবাদ আরও তীব্র আকার নিয়েছে—রাস্তায় আগুন জ্বালিয়ে আন্দোলন চলছে বলে অভিযোগ। সাধারণ মানুষের পাশাপাশি প্রতিদিনই একাধিক পরিচিত ও প্রভাবশালী ব্যক্তিকে শুনানিতে হাজিরা দিতে ডেকে পাঠানো হচ্ছে, যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে উত্তেজনা আরও বেড়েছে।
এই ইস্যুতে শাসক-বিরোধী তরজা আরও চড়েছে। কমিশনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন বিরোধীরা। এখন দেখার, কমিশনের ডাকে সাড়া দিয়ে নৌশাদ সিদ্দিকি কী পদক্ষেপ নেন এবং এই শুনানি রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে কী প্রভাব ফেলে।
