সেখানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শান্তনু ঠাকুর মতুয়াদের উদ্দেশ্যে বলেন, ”আপনারা ধৈর্য্য ধরে সিএএ-তে আবেদন করবেন। সিএএ-তে আবেদন করলে আমাদের ভারতবর্ষে নাগরিকত্ব পেতে সুবিধা হবে। ভোটার কার্ড, আধার কার্ড, রেশন কার্ড থাকলে নাগরিক হয় না। নাগরিকত্ব আলাদা নিতে হয়। রাজ্য সরকারের নাগরিকত্ব দেওয়ার ক্ষমতা নেই। সিএএ-এর মাধ্যমে এনআরসি সমস্যার সমাধান হবে। আপনারা সিএএ-তে আবেদন করুন। কারও মন্তব্যে কান দেবেন না। তারা রাজনীতি করতে চায়। আমরা চাই বড়মার আন্দোলন সার্থক হোক।” এরপর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শান্তনু ঠাকুর বলেন, ”এসআইআর-এ মতুয়াদের নাম বাদ গেলে নির্বাচন কমিশনকে ধরতে হবে। আমাদের নয়।”
advertisement
এবারই অবশ্য প্রথম নয়, এসআইআর পর্বের শুরু থেকেই শান্তনু সওয়াল করছিলেন সিএএ-তে আবেদন করার জন্য। বিজেপির তরফে নানা জায়গায় সিএএ ক্যাম্পও খোলা হয়েছিল। সিএএ নিয়ে বলতে গিয়ে শান্তুনু এর আগে বলেছিলেন, “স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আগেই বলে দিয়েছেন শুধু ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে নয় ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত যাঁরা ভারতে এসেছেন তাঁরা ভারতবর্ষেই থাকবেন। এদের কেউ বাংলাদেশ, পাকিস্তান, আফগানিস্তানে পাঠাতে পারবে না।”
কিন্তু এসআইআরের পর নাম বাদ গেলেও অন্তুর্ভূক্তি কী করে সম্ভব? শান্তনু যদিও এক্ষেত্রে বলছিলেন, “একটা নির্বাচন কমিশনের অধীনে। আর একটা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অধীনে। এসআইআরে নাম বাদ গেলে সিএএ করা মানে তো সে নাগরিক। আর নাগরিক মানে তো ভারতের নাগরিক। নাগরিক হলেই তাঁর ভোটার কার্ড থাকবে। স্বাভাবিকভাবেই এই লোকগুলো তো ভারতের নাগরিক হবে। তাই আমরা আবেদন করতেই পারি।”
