কেমন এই এআই প্রতিমা? প্রযুক্তি থেকেই ভাবনাটা শুরু হচ্ছে। ক্লাব সদস্যরা এআই ব্যবহার করে নিজেদের কল্পনামতো সরস্বতী প্রতিমার ডিজাইন তৈরি করছেন। মুখাবয়ব, ভঙ্গি, অলংকার থেকে রঙের কম্বিনেশন সবই ঠিক হচ্ছে ডিজিটাল স্কেচে। তারপর সেই ছবি পৌঁছে যাচ্ছে মৃৎশিল্পীদের হাতে। শিল্পীদের নিপুণ কারুকার্যে সেই ডিজিটাল কল্পনাই রূপ নিচ্ছে বাস্তব প্রতিমায়। ফলে সাবেকি আদলের পাশাপাশি জন্ম নিচ্ছে একেবারে নতুন, কিউট ও আধুনিক লুকের মা সরস্বতী।
advertisement
মৃৎশিল্পী নারায়ণ দাস বলেন, “কালনায় এবার আধুনিকতা এসেছে। নতুন প্রজন্ম সবাই এবার নতুনত্ব কিছু চাইছে। আমার এখানেই নয়, আরও বিভিন্ন জায়গায় এই কিউট প্রতিমা হচ্ছে। তবে এই কাজ অনেকটা ধরে ধরে তারপর করতে হচ্ছে।” কালনা থানার অন্তর্গত শিল্পীদের দক্ষতায় তৈরি এই অভিনব এআই-কিউট প্রতিমা ইতিমধ্যেই ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।
শিল্পীদের কথায়, সময়ের সঙ্গে মানুষের রুচির বদল স্বাভাবিক। নতুন প্রজন্ম চায় নতুনত্ব, চায় আলাদা কিছু, আর সেই চাহিদার দিকেই তাকিয়ে সাবেকি ধারার সঙ্গে তাল মিলিয়ে উঠে আসছে এআই ভাবনার প্রতিমা। কালনার ঐতিহ্যপূর্ণ সরস্বতী পুজোর বেশ কয়েকটি মণ্ডপে এই বছর এই অভিনব প্রতিমা স্থান পাচ্ছে। শহরের একাধিক ক্লাব আধুনিক ভাবনায় পুজো সাজাতে উদ্যোগী হয়েছে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
বারুইপাড়ার স্বর্ণদ্বীপ ক্লাব, রূপালিকা ক্লাব, বন্ধু সমিতি ক্লাব সহ সমাপ্তি সংঘের মণ্ডপেও থাকছে বিশেষ ‘এআই-কিউট’ সরস্বতী প্রতিমা। পাশাপাশি জিউধারা বারোয়ারি সমিতিও সুদৃশ্য মণ্ডপসজ্জার সঙ্গে দর্শনার্থীদের আকর্ষণ বাড়াতে বেছে নিয়েছে এই নতুন ধারার প্রতিমা। প্রতিমা শিল্পীদের কাছেও ইতিমধ্যেই বিভিন্ন ক্লাবের তরফে ‘এআই-কিউট’ প্রতিমার একাধিক বরাত এসেছে। সব মিলিয়ে বলা যায়, এই বছর কালনা শহর ও শহরতলির সরস্বতী পুজোতে শুধু চোখধাঁধানো মণ্ডপসজ্জাই নয়, প্রতিমাতেও দেখা যাবে আধুনিকতার নতুন রূপ। ঐতিহ্য আর প্রযুক্তির এই মেলবন্ধন দর্শনার্থীদের মন জয় করবে, তা নিয়ে আশাবাদী শিল্পী থেকে পুজো কমিটি সকলেই।





