ইডির তদন্তে উঠে এসেছে, হাসপাতালের তহবিল থেকে ঠিকাদারদের অ্যাকাউন্টে যাওয়া অর্থ বিভিন্ন স্তরে ঘুরিয়ে নগদে তোলা হয়। এই অর্থ সন্দীপ ঘোষ ও তাঁর স্ত্রীয়ের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা করা হয় এবং পরে উপহারের আড়ালে পরিবারের সদস্যদের কাছে ট্রান্সফার করা হয়, যাতে সেটিকে বৈধ অর্থ হিসেবে দেখানো যায়।
আরও পড়ুন :আরজি কর দুর্নীতি কাণ্ডে ধরা দিলেন আখতার আলি! হাসপাতাল থেকে ছুটি পেয়েই সোজা আদালতে
advertisement
অভিযোগ, ব্যক্তিগত চিকিৎসা থেকে স্বল্প আয় দেখালেও সন্দীপ ঘোষের অ্যাকাউন্টে বিপুল নগদ জমা পড়ে, যা অবৈধ লেনদেনের অংশ বলে সন্দেহ। এর আগে তল্লাশি চালিয়ে গুরুত্বপূর্ণ নথি বাজেয়াপ্ত করেছে ইডি। পাশাপাশি, সন্দীপ ঘোষের প্রায় ৫২.৩৮ লক্ষ টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত এখনও চলছে।
অন্যদিকে, আরজি কর দুর্নীতি কাণ্ডে অভিযুক্ত আখতার আলি শনিবার আত্মসমর্পণ করতে আলিপুর আদালতে হাজির হন। আদালতে আখতার আলির দাবি, তাঁকে মিথ্যা অভিযোগে ফাঁসানো হয়েছে। উল্লেখ্য, এর আগে অসুস্থতার অজুহাতে একাধিকবার আদালতে হাজিরা এড়িয়েছিলেন তিনি। গতকালই আখতার আলির বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছিল সিবিআই আদালত। আজ, শনিবার সরাসরি হাসপাতাল থেকে ছুটি পেয়েই এলেন আলিপুর বিশেষ সিবিআই আদালতে।
যদিও শনিবার আদালতে আত্নসমর্পণ করতে পারেননি আখতার আলি৷ তাঁর আইনজীবী এদিন আদালতে না থাকায় বিচারকের কাছে আবেদন করতে পারেনি আখতার৷ পরে কোর্ট চত্বর থেকে বেরিয়ে যান৷
