বর্তমানে পঞ্চায়েত এলাকার বিভিন্ন প্রান্তে স্থাপিত এই আবর্জনা ফেলার খাঁচাগুলিতে স্থানীয় মানুষ নিজেরাই ময়লা-আবর্জনা ফেলছেন। পরে পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে নিয়মিত সেই আবর্জনা সংগ্রহ করে নির্দিষ্ট স্থানে ফেলা হচ্ছে। ফলে এলাকা ক্রমশই আরও পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যকর হয়ে উঠছে। গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান দীপক কুমার বেলথরিয়া জানান, “এই উদ্যোগের ফলে কাশীপুর অনেকটাই বদলে গিয়েছে।
advertisement
আগে যেসব স্থান নোংরা আবর্জনায় ভরে থাকত, এখন সেগুলি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকছে। এর থেকেই বোঝা যায়, এই উদ্যোগ কতটা সুফল দিয়েছে।” তিনি আরও জানান, কাশীপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার বিভিন্ন প্রান্তে ইতিমধ্যেই ১০০টিরও বেশি আবর্জনা ফেলার খাঁচা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। আগামী দিনে প্রয়োজন অনুযায়ী আরও খাঁচা বসানো হবে।”
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
এছাড়াও জানানো হয়েছে, আগামী দিনে পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে একটি পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। যার আওতায় পঞ্চায়েত এলাকার প্রতিটি বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে মহিলাদের সংগঠিত ও অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। কাশীপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের এই প্রশংসনীয় উদ্যোগ ইতিমধ্যেই এলাকাকে পরিচ্ছন্ন রাখার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এর মাধ্যমে বদলে যাচ্ছে কাশীপুরের চেহারা, পরিচ্ছন্নতার পাশাপাশি গড়ে উঠছে আরও সুস্থ ও সুন্দর পরিবেশ।





