রনপা, ঘোড়া নাচ, আদিবাসী সাঁওতালি নৃত্যের তালে মেতে উঠেন সকলে। ধামসা, মাদল ও ঢাকের তালে পথ চলতি সাধারণ মানুষও থমকে পড়ে। জেলার প্রায় ২২ হাজার নথিভুক্ত লোকশিল্পীদের নিয়ে এই অনুষ্ঠান চলে। প্রতিদিনই ছিল ছৌ, ঝুমুর, বাউল, লোকনাট্য ও যাত্রার আসর।
advertisement
এ বিষয়ে জেলা তথ্য ও সংস্কৃতি দফরের আধিকারিক সিদ্ধার্থ চক্রবর্তী বলেন, জেলা লোকসংস্কৃতি ও আদিবাসী সংস্কৃতির ও যাত্রার মেলবন্ধন ঘটাতেই এই উৎসব। এ বছর ১৫-তম বর্ষে পদার্পণ করল এই উৎসব। যাত্রা প্রায় হারিয়ে যেতে বসেছিল। এই উৎসবের মধ্যে দিয়ে তা পুনরোজ্জীবিত হয়ে উঠছে। রাজ্য সরকার বাংলার লোকসংস্কৃতিকে তুলে ধরতে প্রতিবছরই লোকসংস্কৃতি, আদিবাসী সংস্কৃতি ও যাত্রা উৎসব করে চলেছে।
এ বিষয়ে পুরুলিয়া জেলা পরিষদের সভাধিপতি নিবেদিতা মাহাত বলেন, জঙ্গলমহলের লোকসংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে রাজ্য সরকার অগ্রণীর ভূমিকা পালন করছে। জেলার প্রায় ২২ হাজার লোকশিল্পী সরকারি ভাবে ভাতা পান। হারিয়ে যাওয়া লোকশিল্প পুনরায় ফিরে আসছে এর মধ্যে দিয়ে। তিনদিন ব্যাপী এই লোকসংস্কৃতি ও আদিবাসী উৎসব জেলা ব্যাপি যথেষ্ট সাড়া ফেলেছে। জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে দর্শকদের ভিড় জমেছিল এই অনুষ্ঠান মঞ্চ প্রাঙ্গনে।





