সেখান থেকেই সংখ্যালঘুদের প্রসঙ্গে উল্লেখযোগ্য মন্তব্য করেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, ”মুসলমানদের ভোট চাই না বলিনি কখনও। বলেছি মুসলিমদের ভোট পাইনি। হিন্দুদের দেওয়া ব্যাপক ভোটই আমাকে নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারাতে সাহায্য করেছে।”
advertisement
শুধু তাই নয়, এদিন শুভেন্দুর কথায়, ”এবার বিজেপি সরকার হবে। খুব ভাল দিন আসছে। নন্দীগ্রামের সুদিন আসছে। পরিযায়ী শ্রমিকদের ফিরিয়ে আনার দায়িত্ব আমার। ১৭৭ আসন পাবে বিজেপি।” এদিন নন্দীগ্রামের জনপ্রতিনিধি হিসেবে এলাকায় কী কী উন্নয়নমূলক কাজ করেছেন তিনি, তারও ফিরিস্তি দেন শুভেন্দু অধিকারী।
এ দিন রামনগরেও বিজেপি প্রার্থী চন্দ্রশেখর মণ্ডলের সমর্থনে একটি সভা করেন শুভেন্দু অধিকারী৷ সেখানেই তিনি বলেন, বিজেপি এবার বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গড়ূবে৷ আমার কথা রেকর্ড করে রাখুন৷ ২০১৬-তে ৩, ২০২১-এ ৭৭, ২০২৬-এ ১৭৭-এর নীচে নামবে না৷ তার উপরে কোথায় যাবে বলছি না৷ ৪ মে বিকেলে দেখা হবে৷
রামনগরের সভা থেকেও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারানোর চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন বিরোধী দলনেতা৷ শুভেন্দু অধিকারী বলেন, আগের বার বলেছিলাম নন্দীগ্রামে এসেছেন হারিয়ে পাঠাবো৷ এবারে বলে গেলাম ভবানীপুরে আপনাকে হারাবো৷ এসআইআর-এর বিপুল সংখ্যক নাম বাদ যাওয়ায় তৃণমূলের চিন্তা বেড়েছে বলেও এ দিন কটাক্ষ করেছেন বিরোধী দলনেতা৷ শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ভোটার তালিকায় কত দূষিত জল ছিল! প্রথম পর্বে ব্রেকফাস্টে ৫৮ লক্ষ বাদ গিয়েছে, লাঞ্চে গিয়েছে ৬০ লক্ষ৷ এখনও ডিনার হয়নি৷ সন্ধেবেলা লিকার চা আর চিনা বাদাম হয়েছে৷ তাতে ৩২ লক্ষের মধ্যে ১৪ লক্ষ বাদ চলে গিয়েছে৷ আরও ২৮ লক্ষ বাকি৷ তাহলে এই মুহূর্তে ৭৯ লক্ষ বাদ চলে গিয়েছে৷ মনে আছে তো আগে আমি কী বলেছিলাম? যা নাম বাদ গিয়েছে তার ৯০ শতাংশ ভোট তৃণমূল কংগ্রেস মেরে দিত৷
