কোচবিহার থেকে এদিন ৯ আসনের প্রার্থীদের সঙ্গে পরিচয় করালেন প্রধানমন্ত্রী৷ ঠাকুর পঞ্চানন বর্মা, চিলা রায়ের স্মৃতিচারণ করেন মোদি৷ এর আগে কলকাতায় তাঁর করা বিগ্রেডের সভার কথা মনে করিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘পরিবর্তন যাত্রা শুরু হয় ব্রিগেড ময়দান সভা থেকে। ওই সভা থেকে তৃণমূল ভয় পেয়েছে। যা ব্রিগেডের সভায় দেখেছি, একই ছবি কোচবিহারের সভাতেও। এই ছবি বলে দিচ্ছে তৃণমূলে পাপ ভরে গিয়েছে। এবারে বাংলা থেকে হারছে তৃণমূল।’’
advertisement
কোচবিহার থেকে মোদির বার্তা, ‘আমি তোমাদেরই লোক’৷ তিনি বলেন, ‘‘গোটা বাংলায় একটাই আওয়াজ, পরিবর্তন দরকার। নতুন বাংলার জন্যে নয়া আবহ দেখতে পেলাম কোচবিহারে নেমেও৷’’ আমি তোমাদেরই মানুষ আছি৷ তৃণমূলের কাটমানি এবং দূর্ণীতির বিরুদ্ধে বিজেপির উন্নয়নই ভরসা।
অনুপ্রবেশকারীদের বাংলা থেকে সরানো হবে।’’
মালদার সাম্প্রতিক মোথাবাড়ি কাণ্ডের প্রসঙ্গ সরাসরি তৃণমূলকে কাঠগড়ায় দাঁড় করান প্রধানমন্ত্রী৷ মোদি বলেন, ‘‘২-৩ দিন আগে দেখেছে, গোটা দেশ দেখেছে মালদার ঘটনা। এ কেমন সরকার? এ কেমন ব্যবস্থা? বিচারকদের আটকে রাখা হয়েছিল। মালদার ঘটনা “মহা জঙ্গলরাজ”। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সংযোজন, “সরকার বিচারকদের নিরাপত্তা দিতে পারে না, তা হলে সাধারণ মানুষের কী অবস্থা হবে।”
কোচবিহারের সভায় প্রধানমন্ত্রীর অভিযোগ, অনুপ্রবেশকারীদের ঠাঁই দিয়েছে তৃণমূল। কিন্তু বিজেপি এই অনুপ্রবেশকারীদের আটকাবে বলে জানিয়েছেন তিনি। নারী সুরক্ষা নিয়েও ফের তৃণমূলকে নিশানা করে মোদি বলেন, ‘‘সিন্ডিকেট রাজ চলছে রাজ্যে। নারী শক্তির সুরক্ষার জন্য মোদী কি গ্যারান্টি হ্যায়৷ আত্মনির্ভর বাংলার ভরসা মোদী। বাংলা থেকে ভয়ে পালাবে। মহা বিজয় থেকে ভয়ে পালাবে। এদের পাপের হিসেব গুনে গুনে নেওয়া হবে। ৪ মে’র পর আইন নিজের পথে চলবে। ন্যায় মিলবে বাংলায়। বিজেপি সরকার আয়েগি তো ম্যাঁহ আয়েগি। মহিলাদের পাশে থাকবে বিজেপি৷ মহিলাদের ভূমিকা আরও বাড়বে। রাজ্য এবং লোকসভায় মহিলাদের জন্য ৩৬% সংরক্ষন করা হয়েছে। সবার অধিকার সুরক্ষিত থাকবে। আমি সবাইকে আবারও বলছি, মহিলাদের সম্মানের জন্যে সকলে মিলে সঠিক ভূমিকা নিই।’’
