শেনচোয়া স্টেশন এবং বরপথার স্টেশনে এই ব্যবস্থাটি ইতিমধ্যেই স্থাপন করা হয়েছে, যা নন-ইন্টারলকড ও ইন্টারলকড গেটগুলোকে সংযুক্ত করে। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে, স্টেশন মাস্টার সরাসরি ‘এসএম রুম’ থেকেই গেটের রিয়েল-টাইম স্টেটাছ—যার মধ্যে গেট খোলা ও বন্ধ হওয়াও অন্তর্ভুক্ত—পর্যবেক্ষণ করতে পারেন; যা নিয়ন্ত্রণ ও সমন্বয়কে উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত করে।
advertisement
উচ্চমানের ভয়েস কমিউনিকেশন, সমন্বিত ভয়েস লগিং, আইপি-ভিত্তিক পাবলিক অ্যাড্রেস সিস্টেম এবং সিসিটিভি ইন্টিগ্রেশনের সমন্বয়ে গঠিত এই ব্যবস্থাটি এলসি গেটসমূহের অডিও ও ভিজ্যুয়াল—উভয় প্রকার পর্যবেক্ষণ সক্ষম করে তোলে। পরিচালনগত দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এতে সিঙ্গেল-টাচ কলিং, গ্রুপ কমিউনিকেশন এবং ব্যাটারির হেলথ মনিটরিং-এর সুবিধা রয়েছে। একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তিগত অগ্রগতি হল মাস্টার কনসোলে এআই-চালিত নয়েজ ফিল্টারিং ব্যবস্থা, যা গুরুত্বপূর্ণ কাজের সময় ট্রেনের হর্ন ও স্টেশনের ঘোষণার মতো পারিপার্শ্বিক শব্দগুলোকে কার্যকরভাবে দূর করে। এই ব্যবস্থাটি সমস্ত এলসি গেট ক্যামেরার কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষণ সমর্থন করে এবং গেট-সংলগ্ন স্থানে স্থাপিত অতিরিক্ত আইপি-ভিত্তিক পিএ ইউনিটের মাধ্যমে পাবলিক অ্যাড্রেস ঘোষণার সুবিধা প্রদান করে, যা নিরবচ্ছিন্ন ও নির্ভরযোগ্য যোগাযোগ নিশ্চিত করে।
মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক কপিঞ্জল কিশোর শর্মা জানিয়েছেন, এই পদক্ষেপটি উন্নত সুরক্ষা, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং রেল পরিচালন—বিশেষ করে ঝুঁকিপূর্ণ লেভেল ক্রসিং গেটগুলোর—দক্ষ ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে আধুনিক প্রযুক্তির সদ্ব্যবহারে উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলওয়ের অঙ্গীকারকেই তুলে ধরে।
