কর্মীদের বক্তব্য, সংস্থা চালু হওয়ার প্রথম দিন থেকেই তারা নিয়মিত কাজ করে আসছেন। এতদিন ইনসেনটিভ-সহ প্রতিদিন গড়ে পাঁচ থেকে ছয়শো টাকা পর্যন্ত আয় হতো। কিন্তু সম্প্রতি কর্তৃপক্ষ অর্ডারভিত্তিক কমিশন চালু করে। এর ফলে প্রতিদিনের আয় কমে দাঁড়ায় মাত্র দু’শো থেকে আড়াইশো টাকায়। তেলখরচ ও অন্যান্য ব্যয় মেটানোর পর হাতে প্রায় কিছুই থাকছে না বলে অভিযোগ তাদের। এই নতুন পারিশ্রমিক ব্যবস্থার প্রতিবাদে ডেলিভারি কর্মীরা কাজ বন্ধ করে দেন।
advertisement
আরও পড়ুনঃ ফরাক্কার বল্লারপুরে মাঝিদের কর্মবিরতি! অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ নৌ চলাচল, যাত্রীদের চরম ভোগান্তি
তাদের দাবি, পুরনো ইনসেনটিভ-ভিত্তিক কাঠামো পুনর্বহাল করতে হবে এবং যাদের বসিয়ে দেওয়া হয়েছে, তাদের কাজে পুনর্বহাল করতে হবে। অভিযোগ উঠেছে, কর্মীরা আন্দোলনে নামার পর সংস্থা বাইরে থেকে নতুন লোক এনে ডেলিভারির কাজ চালানোর চেষ্টা করছে। এতে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে বলে দাবি আন্দোলনকারীদের।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
তবে গোটা ঘটনার বিষয়ে সংস্থার পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোন আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি। কর্তৃপক্ষ মুখে কুলুপ এঁটেই রয়েছে। সমস্যার দ্রুত সমাধান না হলে আন্দোলন আরও জোরদার করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিক্ষুব্ধ কর্মীরা।






