সকালবেলা স্থানীয়রা ড্রেনের দিকে তাকাতেই দেখতে পান সেই ব্যক্তির মৃতদেহ পড়ে আছে। সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় ঘোলা থানার পুলিশকে। পুলিশ এসে সেই মৃতদেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায় ময়নাতদন্তের জন্য। মৃত ওই ব্যক্তির নাম সুভাষ বক্সী, ৫৯ বছর বয়স। তবে কী থেকে মৃত্যু হল ওই ব্যক্তির, তা নিয়ে রহস্য দানা বেঁধেছে এলাকায়।
advertisement
এদিকে, জমি বিবাদের জেরে মেজো দাদা ও তার পরিবার ভাইকে প্রথমে অ্যাসিড মারে তারপর দাঁ দিয়ে কোপাল। গুরুতর আহত অবস্থায় ভাই কলকাতায় চিত্তরঞ্জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। শনিবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে বারুইপুর থানার অন্তর্গত যোগীবটতলার মডার্ন ক্লাবের পাশে। অভিযোগ, মেজো দাদা মমতাজ খান ও তার পরিবারের সবাই মিলে ভাই টোটন খানকে জমি বিবাদের জেরে প্রথমে অ্যাসিড মারে চোখে, তারপর দাঁ দিয়ে মাথায়, হাতে, শরীরের বিভিন্ন জায়গায় কোপ মারে। পরিবার সূত্রে খবর, মমতাজ খান ও টোটন খানের মধ্যে অনেকদিন ধরে নিজেদের জমি সংক্রান্ত বিবাদ ছিল।
কয়েকদিন আগে টোটনের পরিবারের সদস্যদের মারধর করে মমতাজ খানের পরিবার। মমতাজ খানের পরিবারের কয়েকজনকে পুলিশ আটকও করেছিল। কিন্তু টোটন খানের পরিবারের তরফে অভিযোগের অভাবে পুলিশ তাদের ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়। শনিবার সকাল অর্থাৎ ইদ উপলক্ষে ওই দিন সকাল বেলা থেকেই টোটন খানের পরিবারের ওপর অত্যাচার চালায় মমতাজ খানের পরিবার। সেই অত্যাচারের পরিমাণ রাতে ভয়ংকর আকার ধারণ করে।
