অফিস, ব্যাঙ্ক বা বাড়ি বন্ধ থাকার সময় আশপাশে কেউ এলেই সেন্সরের মাধ্যমে তা শনাক্ত হবে। সঙ্গে সঙ্গে একটি বিশেষ সতর্কতামূলক আলো জ্বলে উঠবে এবং শব্দ সংকেত বেজে উঠবে, যা অনুপ্রবেশকারীকে সতর্ক করার পাশাপাশি আশপাশের মানুষকেও সাবধান করবে। ছাত্রদের দাবি, এই মডেলটি কম খরচে তৈরি হলেও এর কার্যকারিতা অত্যন্ত বেশি। বিশেষ করে ব্যাঙ্কের লকার রুম, স্কুলের অফিস কক্ষ, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান কিংবা সাধারণ বাড়ির নিরাপত্তা ব্যবস্থায় এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে।
advertisement
তারা আরও জানান, ভবিষ্যতে এই মডেলটিকে আরও উন্নত করা সম্ভব। মডিফিকেশন করলে অনুপ্রবেশের সঙ্গে সঙ্গেই বাড়ির মালিক, ব্যবসায়ী বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মোবাইলে কল ও মেসেজ পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থাও যোগ করা যাবে। ফলে দূরে থেকেও তাৎক্ষণিকভাবে বিপদের খবর জানা সম্ভব হবে। ছাত্রদের এই উদ্ভাবনী উদ্যোগ প্রযুক্তিনির্ভর নিরাপত্তা ব্যবস্থায় নতুন দিশা দেখাচ্ছে বলেই মনে করছেন শিক্ষক ও প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা।
এই উদ্যোগের ফলে ছাত্রদের বাস্তবমুখী কারিগরি শিক্ষার প্রয়োগও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। স্থানীয় মানুষজনও এই মডেল দেখে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন এবং বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহারের সম্ভাবনার কথাও উঠে আসছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থায় দেশীয় প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়লে খরচ কমার পাশাপাশি নির্ভরযোগ্যতাও বৃদ্ধি পাবে বলে মত বিশেষজ্ঞদের। হিঙ্গলগঞ্জ আই টি আই কলেজের ছাত্রদের এই প্রচেষ্টা আগামী দিনে আরও বড় পরিসরে স্বীকৃতি পাবে বলেই আশা।
