স্থানীয় বাসিন্দারা গোডাউনের জানালা দিয়ে ধোঁয়া ও আগুনের শিখা বের হতে দেখে বিষয়টি বুঝতে পারেন এবং দ্রুত হাসনাবাদ থানায় ও দমকল বিভাগে খবর দেন। ঘটনার সময় গোডাউনের ভিতর কোনও মানুষ না থাকায় বড়সড় দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে।
advertisement
দমকল আসার আগে পর্যন্ত এলাকার মানুষ একজোট হয়ে বালতি ও পাইপের সাহায্যে জল ঢেলে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। আগুনের তীব্রতা বেশি থাকায় গোডাউনের ভিতরে থাকা বিভিন্ন সামগ্রী দ্রুত পুড়ে যায়। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও দমকল ঘটনাস্থলে না পৌঁছনোয় এলাকাবাসীর মনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আগুন লাগার সময় কারখানার আশেপাশে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং নিরাপত্তার স্বার্থে আশেপাশের কিছু এলাকা সাময়িকভাবে ফাঁকা করা হয়। পরে পরিস্থিতি ধীরে ধীরে নিয়ন্ত্রণে আসে। যদিও প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে, এই অগ্নিকাণ্ডে কয়েক লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। কী কারণে আগুন লেগেছে তা এখনও স্পষ্ট নয়। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।






