উত্তর ২৪ পরগনার বাগদা ব্লকের হেলেঞ্চার বাসিন্দা নকুল বিশ্বাসের পরিবারে মোট পাঁচজন সদস্য। তার মধ্যে দুই ছেলে বাইরে থাকে, এক ছেলে পড়াশোনা করে । এসআইআর-এর চূড়ান্ত তালিকায় তিন ছেলের ভোট বাতিল হয়ে গিয়েছে এবং নকুল বিশ্বাস ও তার স্ত্রী রূপালী বিশ্বাসের ভোট অমীমাংসিত হয়ে রয়েছে। তিন ছেলের ভোট বাতিল ও তাদের ভোট অমীমাংসিত হয়ে থাকায় নিরুপায় হয়ে পড়েছে তাঁরা।
advertisement
advertisement
আরও পড়ুন: এত লোকের কাজ করলেন, SIR-এর চূড়ান্ত তালিকা থেকে বাদ খোদ AERO-র নাম, বিস্মিত গোটা ময়নাগুড়ি!
নকুল বিশ্বাস জানিয়েছেন, আমরা নিরুপায় হয়ে গিয়েছি। সমস্ত কাগজপত্র দেওয়া সত্ত্বেও তিন ছেলের ভোট কেটে দেওয়া হয়েছে । স্বামী-স্ত্রীর ভোট বিচারাধীন রয়েছে। শান্তনু ঠাকুর বলেছিলেন কোনও মতুয়ার ভোট বাদ যাবে না কিন্তু আমাদের ভোট কাটা গিয়েছে। অন্যদিকে নকুল বিশ্বাসের স্ত্রী রূপালী বিশ্বাস জানিয়েছেন আমাদের মরা ছাড়া গতি নেই। ছেলেরা সবাই এখানে পড়াশোনা করেছে তাদের কাগজপত্র দিয়েছি তবুও তাদের ভোট কেটে দিয়েছে। অন্যদিকে পুরাতন হেলেঞ্চার বাসিন্দা সুবাস টিকাদারেরও ভোট কাটা গিয়েছে। তার দাবি, ২০০০ সালের পাসপোর্ট থাকা সত্ত্বেও তার ভোট কাটা দিয়েছে। তিনিও দাবি করেছেন, মতুয়া বাগদাতে বেশিরভাগ মতুয়াদের ভোট কাটা গিয়েছে।
এসআইআর তালিকা থেকে বাদ পড়ল জলপাইগুড়ির ময়নাগুড়ির বিডিও প্রসেনজিৎ কুণ্ডুর নাম। ঘটনায় বিস্মিত প্রশাসনিক মহল। আলিপুরদুয়ারের বাসিন্দা প্রসেনজিৎ কুণ্ডু, আলিপুরদুয়ার বিধানসভার ভোটার। দীর্ঘ প্রায় দু’বছর ধরে ময়নাগুড়িতে ব্লক ডেভলপমেন্ট অফিসার পদে কর্তব্যরত। এসআইআর প্রক্রিয়ায় এইআরও-র দায়িত্বে রয়েছেন। তারপরেও নিজের নাম বাদ পড়ার ঘটনায় নিজেই বিস্মিত। যদিও এই নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি তিনি।
