তদন্তকারী সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত ব্যক্তি তার সহযোগী সুমন শেখের সঙ্গে মিলে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে টাকার বিনিময়ে বিভিন্ন OTP শেয়ার করতেন। সেই OTP বেআইনি কাজে ব্যবহার করা হত বলে প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে।
আরও পড়ুনঃ মরণোত্তর দানে অমরত্বের বার্তা, মৃত্যুকে জয় করার মানবিক অঙ্গীকার পুরুলিয়ার রেল কর্মীর
advertisement
এই ঘটনায় STF সদর দফতর থানায় ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (BNS), ইন্ডিয়ান টেলিগ্রাফ অ্যাক্ট, ১৮৮৫ এবং ইমিগ্রেশন অ্যান্ড ফরেনার্স অ্যাক্ট, ২০২৫-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা রুজু হয়েছে। ধৃত জুহাব শেখকে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে ঘটনার তদন্ত চালায়।
জিজ্ঞাসাবাদে উঠে আসে আরও এক অভিযুক্তের নাম। ২২ ফেব্রুয়ারি সহ-অভিযুক্ত সুমন শেখকেও গ্রেফতার করে টাস্ক ফোর্স। অভিযুক্তকে অতিরিক্ত মুখ্য বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট বিধান নগর আদালতে পেশ করা হলে বিচারক তাকে পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন।
তদন্তকারীরা মনে করছেন, এই ওটিপি (OTP) আদান-প্রদান চক্রের পিছনে বড় নেটওয়ার্ক থাকতে পারে। পুরো চক্র ও অন্যান্য যোগসূত্র খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
