কৃষ্ণনাথ কলেজকে কেন্দ্র করে মুর্শিদাবাদ বিশ্ববিদ্যালয় তৈরির শুরু থেকেই জেলার বড় অংশের মানুষ প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন। যাঁর দান করা জমির উপর প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠে, সেই রাজার নাম বাদ পড়া নিয়ে জনমানসে ক্ষোভ তৈরি হয়।
advertisement
শাসকদলের বিধায়করাও এই নিয়ে আবেদন জানিয়েছিলেন। বহরমপুরে প্রাক্তনীদের মিছিল হয়েছিল। জেলার ইতিহাস এবং ঐতিহ্যের অবমাননার অভিযোগকে কেন্দ্র করে আন্দোলনের দানা বাঁধতে শুরু করেছিল জেলার বিভিন্ন প্রান্তে। বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে মহারাজা কৃষ্ণনাথ বাদ থাকায়।
মুর্শিদাবাদের আবেগ ধরতে এই পদক্ষেপ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। ১৮৫৩ সালে প্রতিষ্ঠিত বহরমপুর কৃষ্ণনাথ কলেজ এর নামকরণ করা হয়েছিল মুর্শিদাবাদ কলেজ। যাতে মুর্শিদাবাদবাসী কিছু দুঃখিত হয়েছিল। আবেদন করেছিল।
মন্ত্রী ব্রাত্য বসু বলেন, ‘‘২২ বছরের কম বয়সি একটি তরুণ তাঁর সম্পত্তি মুর্শিদাবাদের সমস্ত ছেলেমেয়েরা যাতে শিক্ষা নিতে পারে। ডঃ রেজায়ুল করিম এই প্রস্তাব দিয়েছিলেন। ১২৩ বছর পরে তাঁর নামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পূর্ণ মর্যাদা দিয়ে নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব আনলেন৷’’
