জনতা উন্নয়ন পার্টি বা জেইউপি নামের নতুন দল প্রতিষ্ঠা করেছেন হুমায়ুন৷ মার্চের শুরুতেই মিলেছে নির্বাচন কমিশনের স্বীকৃতিও৷ সেই দলের হয়েই ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে ১৮২টি কেন্দ্রে প্রার্থী দেওয়ার কথা জানালেন হুমায়ুন কবীর৷
advertisement
এদিন সাংবাদিক বৈঠক করে হুমায়ুন জানান, ‘‘১৮২ টা কেন্দ্রে প্রার্থী দেওয়া হবে। আজ কিছু আসনের ঘোষণা করা হয়েছে। ১৫ জনের নাম ঘোষণা করা হয়েছে।’’ মিম সহযোগী হবে বলে দাবি করা হয়েছে সাংবাদিক বৈঠকে। কথা সম্পূর্ণ হলে জানানো হবে। ২২ মার্চ বিস্তারিত তালিকা প্রকাশ। সেখানে মিম সহযোগী হিসেবে উপস্থিত থাকবে বলে জানা গিয়েছে।
জানা গিয়েছে, রেজিনগর ও নওদাতে হুমায়ূন কবীর নিজে দু’জায়গায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। বিশেষ কারণে বেলডাঙায় নয়। জানিয়েছেন, ‘‘রেজিনগরে যাঁর বিরুদ্ধে লড়াই করব, তাঁকেই বেলডাঙায় নিয়ে গেল, সেই জন্যই বেলডাঙা লড়ব না।’’
রেজিনগরের পাশাপাশি নওদা বিধানসভা আসন থেকে লড়বেন বলে বুধবার জানিয়ে দিয়েছেন হুমায়ুন। জল্পনা তৈরি হয়েছিল, যে বেলডাঙায় ‘বাবরি মসজিদ’ তৈরি করাচ্ছেন তিনি, সেখান থেকেই আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে লড়তে পারেন ভরতপুরের বিদায়ী বিধায়ক। কিন্তু বুধবার হুমায়ুন স্পষ্ট করে দিলেন, রাজ্যের কোন দুই আসন থেকে তিনি লড়বেন। সঙ্গে এ-ও জানালেন, তৃণমূলকে ‘শিক্ষা দিতে’ই রণকৌশল বদলেছেন তিনি। মনে করা হচ্ছে, নওদা আসনে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের যে অভিযোগ উঠেছে, তাকেই কাজে লাগাতে চান আম জনতা উন্নয়ন পার্টির মুর্শিদাবাদ জেলা চেয়ারম্যান হুমায়ুন। আর সেই মতোই সাজাচ্ছেন প্রার্থী তালিকা।
এদিন হুমায়ুন বলেন, ‘‘অধীর চৌধুরী বহরমপুর প্রার্থী হলে জেতানোর চেষ্টা করব আগেই বলেছি। তবে প্রার্থী দেব। কোন অঙ্কে খেলতে হবে জানি। এত দিনের অভিজ্ঞতা। ব্যক্তিগতভাবে তিনি চাইবেন অধীর রঞ্জন চৌধুরী এবং নওশাদ জিতুক। নওশাদকে সমর্থন করব। যেভাবে সাহায্য করা যায় করবো। সেলিম প্রার্থী হলেও করতাম।’’
উল্লেখযোগ্য প্রার্থীদের মধ্যে ফিরহাদ হাকিমের প্রাক্তন জামাই ইয়াসিন হায়দার থাকছেন বলে সূত্রের খবর, তিনি কান্দিতে বিধায়ক ডেভিড অপূর্ব ঘোষের বিরুদ্ধে লড়বেন। ভবানীপুরে থাকছে নন বেঙ্গলি মুসলিম প্রার্থী । নন্দীগ্রামেও প্রার্থী দেবে হুমায়ুনের দল ।
হুমায়ুন জানান, ‘‘নির্বাচন কমিশন ঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। জ্ঞানেশ কুমারকে তো সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন করতে হবে। যারা প্রশাসনে বসে রয়েছে, তারা এরাচ্ছে সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন করতে দিত না। নির্বাচন কমিশন এটা বুঝেছে। যে কারণে সঠিকভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। এখানে সব দলদাসে পরিণত হয়েছে। ডিএম সহ সমস্ত বদলি হওয়ার ছিল। এরা শাসক দলের হয়ে কাজ করছিল। ইলেকশন কমিশনকে সাধুবাদ।’’
