জোট নিয়ে হুমায়ুন কবীরের সঙ্গে নিউ টাউনের হোটেলে এর আগেও কথা হয়েছিল সিপিএম রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিমের৷ যদিও হুমায়ুনের সঙ্গে সেলিমের এই বৈঠক নিয়ে দলের অন্দরেই প্রশ্ন উঠেছিল৷ এর পর হুমায়ুন কবীরের নতুন দল নিয়ে সিপিএম রাজ্য নেতৃত্ব আর খুব বেশি উৎসাহ দেখায়নি৷ হুমায়ুন নিয়ে প্রশ্ন এড়িয়ে গিয়েছেন মহম্মদ সেলিমও৷ বরং সিপিএম নেতৃত্ব খোলাখুলিই জানিয়েছে, আইএসএফ-এর সঙ্গে তাদের জোট আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে৷ কয়েকটি আসন নিয়ে জট কাটলেই দু একদিনের মধ্যে জোটের ঘোষণাও হয়ে যাবে৷
advertisement
তার পরেও হুমায়ুন কবীরের দাবি, গত সোমবার তিনি মহম্মদ সেলিমকে ফের হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ করে জোট নিয়ে প্রস্তাব দিয়েছেন৷ আইএসএফ-এর সঙ্গেও তাঁদের কথা চলছে বলে দাবি হুমায়ুনের৷ বুধবার জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রধান বলেন, উনি সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক৷ আমি জনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান৷ পরশুদিন রাতে আমি নিজে হোয়াটসঅ্যাপে সেলিম সাহেবকে মেসেজ করেছি৷ ওনারা সত্যি সত্যি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ক্ষমতাচ্যুত করতে চাইলে অবশ্যই সিপিএমের একটা ভূমিকা থাকা উচিত৷ আপনি যদি প্রয়োজন মনে করেন আমাদের সঙ্গে কোথাও আলোচনায় বসবেন আমরা রাজি আছি৷ একই আলোচনা আইএসএফ-এর সঙ্গেও একই আলোচনা হয়েছে৷
এতদিন হুমায়ুন কবীর দাবি করছিলেন ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যেই জোট নিয়ে তাঁর দলের অবস্থান তিনি স্পষ্ট করবেন৷ কোনও দলের জন্য তিনি অপেক্ষা করবেন না বলেও জানিয়েছিলেন ভরতপুরের বিধায়ক৷ এ দিন অবশ্য হুমায়ুনের দাবি, ৭ মার্চের মধ্যে জোট নিয়ে যা যা আলোচনা করার আমরা করে নেবো৷ ১০ মার্চ কলকাতায় সাংবাদিক বৈঠক করে আমরা জোট নিয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে দেবো৷
তবে হুমায়ুন স্পষ্ট করে দিয়েছেন, কোনও অবস্থাতেই কংগ্রেসের সঙ্গে জোট করবে না তাঁর দল৷ হুমায়ুনের কথায়, কংগ্রেস গত পঞ্চাশ বছর ধরে বাংলার রাজনীতিতে ক্ষয়িষ্ণু শক্তিতে পরিণত হয়েছে৷ ২০২১-এর পর তারা শূন্য৷ অধীরবাবুরাই কংগ্রেসকে শেষ করলেন৷
