অন্যতম উদ্যোক্তা অরিন্দম রায় জানিয়েছেন, প্রাচীন থেকে আধুনিক মুর্শিদাবাদের সুদীর্ঘ যাত্রাপথ নিয়ে ইতিহাসের দেশ প্যাভিলিয়ন শহরের সবুজ প্রান্তরে। মথুরাপুর নীলকুঠী থেকে বিভিন্ন রাজবাড়ি, মুর্শিদাবাদ ইমামবাড়া থেকে ফুটে মসজিদ- রেপ্লিকায় সেজেছে উৎসব প্রাঙ্গণ। বইয়ের পাতা উল্টে নয়। পড়ার বইয়ের বাইরে ইতিহাস নিয়ে চর্চা, ইতিহাসকে জানার এমন সুযোগ ঐতিহাসিক বহরমপুরের মাটিতে। মুর্শিদাবাদ ইতিহাস উৎসব এবছর দশম বছরে পা দিল। প্রতি বছরই বিভিন্ন বিষয়কে চিহ্নিত করে ও তার ওপর ভিত্তি করেই এই ইতিহাস উৎসবের আয়োজন করা হয়। বিশেষ করে এ বছর অনেকগুলো বিষয়ের উপর এই ইতিহাস উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। সাতদিনের এই উৎসবে অংশ গ্রহণ করে জেলার প্রায় এক শতাধিক বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা বলে জানিয়েছেন উদ্যোক্তারা। আছে প্রায় ৭০টি স্টল। রাখা হয়েছে মিউজিয়াম থেকে লাইট শো।
advertisement
আরও পড়ুন : সপ্তাহান্তের ছোট্ট অবসরে ইতিহাস ও প্রকৃতিতে ডুব দিতে আসুন কুরুমবেড়া দুর্গে
উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন, ঐতিহাসিক নিদর্শন, ঐতিহাসিক পর্যটন কেন্দ্র মডেলের মাধ্যমে প্রদর্শিত হয়েছে স্টলে স্টলে। সঙ্গে রয়েছে হস্তশিল্পের স্টল। ঐতিহাসিক মুদ্রা প্রদর্শনী থেকে প্রাচীন থেকে আধুনিক মুর্শিদাবাদের প্যাভিলিয়ন- ইতিহাসের বইয়ের মেলা উৎসব প্রাঙ্গণে। এ বছর স্টল সংখ্যা ৭০টি। ইতিহাস উৎসবে অংশ নিয়েছে মুর্শিদাবাদ ও মালদা জেলার স্কুল, কলেজের ছাত্রছাত্রীরা।