পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, প্রায় ৬৫০ বছর আগে সদাশিব ঘোষাল নামের এক পরিব্রাজক সন্ন্যাসী মেদিনীপুর থেকে মুর্শিদাবাদের কান্দিতে আসেন। সে সময়ে ঘন অরণ্যে ঘেরা কান্দির ছাতিনাকান্দি এলাকায় মাঘ মাসের চতুর্দশী তিথিতে রটন্তী কালী পুজোর প্রচলন করেছিলেন তিনি। সেই সময় এলাকা ঘন অরণ্যে ঘেরা থাকলেও, কালের নিয়মে আজ এই এলাকা ঘনবসতিতে রূপান্তরিত হয়েছে। সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে আজও কান্দির সিদ্ধান্ত পরিবারের এই রটন্তী কালীপুজো হয়ে আসছে মহা সাড়ম্বরে।
advertisement
আরও পড়ুন : দারুণ রেজাল্ট! নতুন চাকরির খোঁজ! স্ত্রীর সঙ্গে সুসম্পর্ক! সরস্বতী পুজোয় বাম্পার সৌভাগ্য ৩ রাশির
নিশিরাতে রাতভোর ধরে চলে এই কালীপুজো। এই পুজায় বিশেষত্ব হচ্ছে, দেবী মুণ্ডমালিনীকে এখানে পালো পিঠে এবং খেড়োর তরকারি দিয়ে ভোগ নিবেদন করা হয়। শীতকালীন বেশ কিছু সবজি দিয়ে ভোগ দেওয়া হয়ে থাকে। রটন্তী কালী পুজোতে বলিদানের রীতি রয়েছে। এবং এখানে দেবীকে তন্ত্রমতে পুজো করা হয়। একরাত্রি পুজোর পর পরের দিন সকালে স্থানীয় এক পুকুরে প্রতিমা নিরঞ্জনের মাধ্যমে আবারও এক বছরের অপেক্ষায় থাকেন সিদ্ধান্ত পরিবারের সদস্যরা। শুধু সিদ্ধান্ত পরিবারই নয়, এই রটন্তী কালীপুজোয় ছাতিনাকান্দি গ্রামবাসীরা আবেগ ওতপ্রোতভাবে জড়িত রয়েছে। এবং এই পুজো আজও কান্দির ঐতিহ্য ধারাবাহিকভাবে বহন করে চলেছে। পুজো দিতে বহু দূরদূরান্ত থেকে ভক্তরা আসেন এবং নিজের মনস্কামনা নিয়ে পুজো দেন।