এরপর সকালে হাসপাতাল পৌঁছে শুভ্রাংশু জানান, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ফোন করেছিলেন। তিনিই সব ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। দলের শীর্ষ নেতৃত্বরা খোঁজ নিয়েছেন। মনে করি, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ফোন করেছেন। বারোটার সময় বিধানসভায় নিয়ে যাওয়া হবে সেখান থেকে কাঁচরাপাড়ার বাড়িতে। একইসঙ্গে শুভ্রাংশু জানান এখনও পর্যন্ত বিজেপির তরফ থেকে কেউ যোগাযোগ করেননি তাঁর সঙ্গে।
advertisement
প্রসঙ্গত, গত কয়েক বছর ধরে কিডনি-সহ নানা শারীরিক সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ ছিলেন মুকুল রায়। পর পর বেশ কয়েকবারই হাসপাতালে ভর্তি করাতে হয় তাঁকে। সম্প্রতি বেশ কিছুদিন ধরে কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন বঙ্গ রাজনীতির একদা চাণক্য। রবিবার গভীর রাতে সেখানেই মৃত্যু হয় তাঁর। মুকুলের মৃত্যুতে শোকের ছায়া রাজ্য রাজনীতিতে। মৃত্যুর খবর সামনে আসতেই মুকুলের বাড়ির সামনে ভিড় জমাতে শুরু করেন তৃণমূলের নেতাকর্মীরা। বিধানসভা হয়ে কাঁচড়াপাড়ার ঘটক রোডের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হবে দেহ। সেখান থেকে শেষকৃত্যের জন্য নেওয়া হবে হালিশহর শ্মশানে।
